পায়রা বন্দর নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন প্রকল্প পরিদর্শনে নৌ-প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৫:২৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৭, ২০২১

মেজবাহউদ্দিন মাননু, কলাপাড়া প্রতিনিধি ॥  পায়রা বন্দর নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনে নির্মিত “পায়রা বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো/সুবিধাদিও উন্নয়ন (২য় সংশোধিত)” শীর্ষক প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মোঃ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি রবিবার সকালে পুনর্বাসন প্রকল্পের এক নম্বর প্যাকেজসহ তিনটি প্যাকেজ পরিদর্শন করেন। নবনির্মিত বাড়িগুলোর কক্ষসহ বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন। নেন খোঁজ-খবর। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শীঘ্রই প্রথম প্যাকেজের উদ্বোধন করবেন বলে মন্ত্রী নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনায় কেউ ভূমিহীন হয়নি। একজন মানুষও গৃহহীন থাকবেনা। তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন দেশের মানুষের মৌলিক সমস্যা বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, খাদ্যসহ সবকিছু সমাধান করছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এই প্রকল্পের আওতায় তিন হাজার পাঁচ শ, পরিবারকে ১৪টি প্যাকেজের মাধ্যমে পুনর্বাসনের কাজ চলছে। যার প্রথম প্যাকেজর আধুনিক সুবিধা সংবলিত বাড়ি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। মন্ত্রী অবগত হন ১৪টি প্যাকেজের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে। এসময় পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর হুমায়ুন কল্লোলসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, পায়রা বন্দর নির্মাণের জন্য ছয় হাজার ৫৬২ দশমিক ২৭ একর ভূমি অধিগ্রহণের কাজ কলাপাড়ায় চলমান রয়েছে। এজন্য ৩৪২৩টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব পরিবারের পুনর্বাসনের নিমিত্তে “পায়রা বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো/সুবিধাদিও উন্নয়ন (২য় সংশোধিত)” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ৪৮৪ একর জমিতে ১৪টি প্যাকেজে সাতটি কেন্দ্রে ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারসমূহের পুনর্বাসনকল্পে প্রায় ৩৪২৩টি বাড়ি নির্মাণাধীন রয়েছে। যার মধ্যে এ টাইপের ১১৬৫টি (চার কাঠার) এবং বি টাইপের ২২৫৮টি (তিন কাঠার)। ১৪টি প্যাকেজের মোট চুক্তিমূল্য নির্ধারণ করা রয়েছে এক হাজার ৪২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। বর্তমানে সামগ্রিকভাবে এ প্যাকেজের ভৌত অগ্রগতি ৬৪ দশমিক ৫১ ভাগ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৬০ দশমিক ২৮ ভাগ।