পাথরঘাটায় খাদিজার কবলাকৃত জমিতে অন্যের দখল সন্ত্রাস

প্রকাশিত: ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৪, ২০২০

তরিকুল ইসলাম রতন, বরগুনা প্রতিনিধি ॥ বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় খাদিজার কবলাকৃত জমিতে দখল সন্ত্রাস করেছেন একই এলাকার সালাম ও তার অন্য দু’ভাই।

পাথরঘাটা উপজেলার শতকর গ্রামের ১নং ওয়ার্ডের খাদিজার জমি জবর দখল করেন একই এলাকার সালাম ও তার দুই ভাই ছগির ও রাজ্জাক।
জানা যায়, ২০১০ সালে ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেনের কাছ থেকে একই এলাকার খাদিজা (স্বামী-মোঃ সুমন) ও তার পরিবার ১ একর ৪০ শতাংশ জমি কবলা করেন।

জমি কবলার পরে আলমগীর মেম্বার খাদিজা ও তার পরিবারকে জমি বুঝিয়ে দেন।

কিছু দিন পরে খাদিজার কবলাকৃত জমি একই এলাকার আর্শেদ আলী হাওলাদারের তিন ছেলে ছালাম, ছগির ও রাজ্জাক নিজেদের দাবি করে দখল নেন। এছাড়াও রহমানের ছেলে জয়নালও জমিতে ভোগ দখল চালান।

স্থানীয়রা বলেন, খাদিজা ও তার পরিবার অনেক কষ্ট করে আলমগীর মেম্বারের কাছ থেকে ১০ বছর আগে ১ একর ৪০ শতাংশ জমি কবলা করেন। যার মূল্য প্রায় (১০ লক্ষ) টাকা। খাদিজার স্বামী সুমন প্রবাসে যাওয়ার পর থেকেই একই এলাকার ছালাম, ছগির, জয়নাল ও রাজ্জাক জমিতে হস্তক্ষেপ করেন।
বর্তমানে ১ একর ৪০ শতাংশ জমি থেকে মাত্র ৫০ শতাংশ জমি খাদিজার দখলে আর বাকী জমি প্রতিপক্ষরা জবর দখল করে খাচ্ছে।

এবিষয়ে খাদিজা বেগম বলেন, আমার স্বামী-মোঃ সুমন অনেক কষ্ট করে গত ১০ বছর আগে আলমগীর মেম্বারের কাছ থেকে ১ একর ৪০ শতাংশ জমি কবলা করেন, পরে আমরা যখন জমি দখলে যাই তখন আর্শেদ আলীর ছেলে সালাম, রাজ্জাক, ও ছগির তারা বাধা দেয়। পরে আমার স্বামী প্রবাসে যাওয়ার পর থেকে তারা ৯০ শতাংশ জমি জবর দখল করে। সালাম প্রায়ই আমার কাছে টাকা চায়। বলে আমাকে দুই লক্ষ টাকা দিলে আমি আর জমিতে যাবো না। আমার কাছ থেকে সে ১ লাখ ২০ হাজার টাকাও নিয়েছে। আপনাদের মাধ্যমে আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রুপক ভাইকে এব্যাপারে একাধিকবার বলা সত্ত্বেও তিনি কোন গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
রুপক চেয়ারম্যানের নির্বাচন আমরা করি নাই তাই আমাদের প্রতিপক্ষকে তিনি সাপোর্ট করছেন এবং আমাদেরকে অন্য চোখে দেখছেন।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রুপক হোসেন বলেন, আমি যতটুকু জানতে পেরেছি, খাদিজারা জমি কবলা করেছেন সত্য কিন্তু সেখানে সালামদেরও জমি রয়েছে। তাছাড়া বর্তমানে খাদিজাদের অনেকাংশ জমি দখলে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তারা যখন জমি কবলা করেন তখন জমির কাগজগুলো ভালো করে দেখে করা উচিত ছিলো।