পটুয়াখালীতে প্রকাশ্যে কুপিয়ে জখম : কিশোর গ্যাংয়ের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার


Deprecated: get_the_author_ID is deprecated since version 2.8.0! Use get_the_author_meta('ID') instead. in /home/ajkerbarta/public_html/wp-includes/functions.php on line 4861
প্রকাশিত: ৯:০৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় প্রকাশ্য দিবালোকে পটুয়াখালী জেলা শহরের পানামা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে দুই কলেজছাত্রকে কুপিয়ে জখম করার মামলায় কিশোর গ্যাংয়ের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছেন র‌্যাব-৮ এর পটুয়াখালী ক্যাম্পের সদস্যরা।

রোববার (২৭ জুলাই) রাতে ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার সময় বরিশাল লঞ্চঘাট এলাকা থেকে তিন জনকে এবং তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী পরে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো- হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারভুক্ত আসামি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য সিফাত, আরমান, রিজন ও সাইদুর রহমান।

র‌্যাবের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ইফতেখারুজ্জামান জানান, গোয়েন্দা তথ্য এবং তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে রবিবার রাতে ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার সময় বরিশাল লঞ্চঘাট এলাকা থেকে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য সিফাত, আরমান ও রিজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের সাথে নিয়ে অভিযান চালিয়ে অপর সদস্য সাইদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পটুয়াখালীর পুরান বাজারস্থ বাসা থেকে হামলায় ব্যবহৃত ২টি রামদা, ১টি ছুরি ও একটি লোহার রড উদ্ধার করা হয়। তাদের পটুয়াখালী সদর থানায় হস্তান্তর করে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২২ জুলাই পটুয়াখালী শহরের সরকারি জুবিলী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। সেখানে অংশ নিতে পৌর শহরের একেএম কলেজের স্নাতকের ছাত্র এনামুল হক মুন্না ও রাজধানীর একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নিবির দাস গুপ্তসহ কয়েকজন সহপাঠী যান। এ সময় প্রকাশ্যে মাদক সেবন করছিল কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। এতে বাধা দেয়ায় তাদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়।

তাৎক্ষণিক বিষয়টি মীমাংসা হলে খেলায় অংশ নেওয়া হয়। খেলার একপর্যায়ে নিবির দাস আহত হন। পরে তাকে স্থানীয় পানামা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেয়া হয়। সেখানে নেয়ার পর কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য সবুর, রিফাত, সিফাত, আরমান, রিজন, হৃদয়, পুলকসহ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে এনামুল হক মুন্না ও নিবির দাসের ওপর হামলা চালায়। আত্মরক্ষার্থে দুইজনই ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে বেরিয়ে গেলে হামলাকারীরা প্রকাশ্যে তাদের কুপিয়ে চলে যায়। ওই ঘটনার পরপরই প্রকাশ্যে হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে টনক নড়ে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর।