নলছিটি ও ভাণ্ডারিয়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে ৩ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত: ১:৪০ অপরাহ্ণ, জুন ২৪, ২০২০

নলছিটি প্রতিনিধি ॥ ঝালকাঠির নলছিটিতে করোনা উপসর্গ নিয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার মেরহার গ্রামের বাড়িতে চাঁনবরু বেগম(৬০)নামে এক বৃদ্ধা নারীর (৬০)মৃত্যু হয়। তিনি ৮ দিন ধরে জ¦র ও শাসকষ্টে ভুগছিলেন। শাবাব ফাউন্ডেশন তাঁর লাশ দাফন করেছে।

নলছিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুম্পা সিকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অপরদিকে গত মঙ্গলবার রাত ১০টায় তিমিরকাঠি গ্রামের জাকির হোসেন (৫৬) বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। রাত ৩টায় তাঁর লাশ দাফন করা হয়। দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ভাণ্ডারিয়া অফিস ॥ পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে এক অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়। ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আলী আজিম তালুকদার জানান, উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের পশারিবুনীয়া গ্রামের মৃত মো. জেন্নাত আলী মালকার এর ছেলে আবুয়াল আহসান মালকার (৬২) গত কয়েকদিন ধরে সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে ভাণ্ডারিয়া শহরের একটি বেসরকারি কিনিকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন। সেখানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে রাত পৌনে আটটার দিকে তাকে আশংকাজনক অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এর কিছুক্ষণ পরই তিনি মারা যান। তিনি ধাওয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ও ১২৮ নং পশারিবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এইচ এম জহিরুল ইসলাম বলেন, মৃত ওই স্কুল শিক্ষকের করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় এ পর্যন্ত সাতজন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।