নথুল্লাবাদ-বানারীপাড়া রুটে যাত্রী বহন নিয়ে আলফা ও সিএনজি চালকদের বিরোধ চরমে

প্রকাশিত: ২:৩৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ৭, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বরিশালের নথুল্লাবাদ-বানারীপাড়া রুটে যাত্রী বহন নিয়ে আলফা ও সিএনজি চালকদের মধ্যে বিরোধ চরমে পৌঁছেছে। সোমবার ৬ জুলাই সকালে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদ থেকে যাত্রী নিয়ে বানারীপাড়া যাওয়ার পথে গুঠিয়া ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে আলফার চালকরা সিএনজির যাত্রী ও চালকদের হেনস্তা করেন, পরে সিএনজির চালকরা সড়ক অবরোধ করে আলফার চালকদের ওই রুটে কোন  সিএনজি চলাচল করতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন।

এতে আলফার চালকরা তাদের উপর ক্ষিপ্ত হনে এবং দুই পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে । খবর পেয়ে গুঠিয়া ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই আমিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এদিকে দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পাওয়া গেছে। আলফা মালিক সমিতির লাইনম্যান অফিযোগ করে বলেন, সিএনজি মেট্রোপলিটন এলাকায় যাত্রী বহন করবে, তারা যাত্রী মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে চড়া ভাড়ায় নিয়ে আসে। আমরা শুধু মাত্র তাদের সতর্ক করেছি, আমরা তাদের কোনো যাত্রী বা ড্রাইভারকে লাঞ্ছিত করিনি।

অপরদিকে সিএনজি ড্রাইভার জাহাঙ্গীর অভিযোগ করে বলেন, আমরা বানারীপাড়া রুটে যাত্রী নিয়ে গেলে পুলিশ প্রশাসন কেউ বাধা দেয়না, তারাই (আলফা চালক) একমাত্র বাধা দেয় ও আমাদের বহনকৃত যাত্রীদের হেনস্তা করে। প্রতিবাদ করতে গেলে মারধর ও গাড়ির চাকা ফুটো করে দেয়।

এ প্রসঙ্গে উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তিনি জানান, সিএনজির ক্ষেত্রে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে চলাচলে কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে।

স্থানীয় আওয়ামী নেতা ও জেলা পরিষদের সদস্য আওরঙ্গজেব হাওলাদারের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিএনজি চালকরা ইচ্ছাকৃত ভাবেই বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। যাত্রী বহন নিয়ে চাঁদাবাজির মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এদিকে নগরীর ১ নং ওয়ার্ড কাউনিয়ার হাওলাদার সড়কের বাসিন্দা মন্টু মোল্লার ছেলে সিএনজি চালক মোঃ শাকিল মোল্লা (১৯) জানান, গতকাল লঞ্চঘাট থেকে বানারীপাড়ার উদ্দেশে যাত্রী নিয়ে যাওয়ার সময় গুঠিয়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ৮-১০ জন লোক তাকে আটকিয়ে মারধর করে এবং নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। অপর সিএনজি চালক কাশিপুরের মোঃ আনোয়ার খানের ছেলে মোঃ রাজিব খান (২৩) জানান, তাকেও গত ৩ তারিখ বৃহস্পতিবার আটকিয়ে একই কাণ্ড ঘটান আলফা চালকরা।

এই বিষয়ে উজিরপুর থানায় মৌখিক অভিযোগ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও সিএনজি চালক মোঃ জাহিদুল ইসলাম ইরা (২৮), মোঃ মনির (২৭) বলেন, নথুল্লাবাদ সিএনজি অটো স্ট্যান্ডে অন্য অটো মাহেন্দ্র চালকরা বিভিন্ন সময়ে তাদের সাথে অসদাচরণ করেন এমনকি হাতাহাতিতেও জড়ান।