নতুন বছরে বরিশালে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ২শ ছাড়ালো

প্রকাশিত: ১১:২৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মহামারি করোনা ভাইরাসে বরিশাল বিভাগে মৃত্যুর মিছিল ক্রমশই দীর্ঘ হচ্ছে। চলতি বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারি মাসে বরিশাল বিভাগে নতুন করে ভাইরাসটিতে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে নতুন বছরের শুরুতেই করোনায় মৃতের সংখ্যা দুইশত ছাড়িয়ে গেছে। এ পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০১ জনে। তবে ‘ভাইরাসটিতে আক্রান্ত শনাক্তের হর পূর্বের মতই কম রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে বিভাগের ছয়টি জেলায় আক্রান্ত হচ্ছে ৫-৭ জন করে। সে অনুযায়ী নতুন বছরের ২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে মোট ১০ হাজার ৬১৮ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। যার মধ্যে সুস্থতা লাভ করেছেন ১০ হাজার ২৩১ জন।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয় থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। কার্যালয়ের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে দেখাগেছে, ‘গত বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে বরিশাল বিভাগে মোট ১৯৬ জনের মৃত্যু হয়। নতুন বছরের গত এক মাসে আরও চার জনের মৃত্যু হয়। যা নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ২০১ জনে দাঁড়িয়েছে।

 

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। এসময় মৃত্যু হয়েছে ১ জনের। আক্রান্ত এবং মৃত্যু হওয়া পাঁচজনই বরিশাল জেলার বাসিন্দা। স্বাস্থ্য বিভাগ দিয়েছে সু-খবরও। ওই ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতি কোভিড-১৯ আক্রান্ত ৯ জন পুরোপুরিভাবে সুস্থতা লাভ করেছেন বলে জানিয়েছে বিভাগটি।
এদিকে, মৃতের সংখ্যায় এখনো বরিশাল জেলা এগিয়ে। নতুন মৃত্যু হওয়া একজনসহ এ জেলায় মোট ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাছাড়া নতুন বছরে যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে তারা সবাই বরিশাল জেলার বাসিন্দা বলে জানাগেছে।

 

তাছাড়া পটুয়াখালীতে ৪১ জন, ভোলায় ১০ জন, পিরোজপুরে ২৫ জন, বরগুনায় ২২ জন ও ঝালকাঠিতে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সরকারি রেকর্ডে উল্লেখ রয়েছে। অনুরূপভাবে বরিশাল জেলায় সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮৩৬ জন, পটুয়াখালীতে এক হাজার ৭৪৩ জন, ভোলায় ৯৮০ জন, পিরোজপুরে এক হাজার ১৮৯ জন, বরগুনায় এক হাজার ৩২ জন এবং ঝালকাঠিতে মোট ৮৩৮ জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

 

এদের মধ্যে বরিশালে ৪ হাজার ৬৯৪ জন, পটুয়াখালীতে এক হাজার ৬৮৮ জন, ভোলা জেলার ৯৩৮ জন, পিরোজপুর জেলার এক হাজার ১০৩ জন, বরগুনা জেলার এক হাজার ৬ জন এবং ঝালকাঠি জেলায় মোট আক্রান্তের মধ্যে থেকে ৮০২ জন ভাইরাসটি থেকে মুক্তি পেয়েছেন।