নতুন বছরে বরিশালে কমেছে করোনা সংক্রমণের হার : বেড়েছে সুস্থতা

প্রকাশিত: ১০:৩৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নতুন বছরের শুরুতে বরিশাল বিভাগে মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সনাক্তের হার কমেছে। সেই সাথে কমেছে মৃত্যুর হারও। বছরের শুরু থেকে এক পর্যন্ত গত ২২ দিনে বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলায় মোট ১৭৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে সনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে মাত্র এক জনের।
অপরদিকে, করোনায় আক্রান্ত সনাক্তের হার কমলেও বেড়েছে সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিনই গড়ে ১৫ থেকে ২০ জন পর্যন্ত ভাইরাসটি থেকে সুস্থতা লাভ করছেন। সে হিসেবে গত ২২ দিনের মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থতা লাভ করেছেন মোট ৩৪৬ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয় থেকে জানাগেছে, ‘শুরু থেকে নতুন বছরের ২৩ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে মোট ১০ হাজার ৫৪৭ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে ভাইরাসটিতে মৃত্যু হয়েছে মোট ১৯৭ জনের। আর সুস্থতা লাভ করেছেন মোট ১০ হাজার ১০২ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ‘চলতি শীত মৌসুমে বরিশাল বিভাগে করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধরণ করেনি। বরং পূর্বে ঊষ্ণ মৌসুমের থেকে আক্রান্তের হার ক্রমশ কমে আসছে। যদিও নতুনা পরীক্ষার হারও পূর্বের তুলনায় কয়েক গুণ কমে গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানিয়েছেন, ‘চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৭৫ জন আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছেন। যাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে মাত্র একজনের। আর সুস্থ হয়েছেন ৩৪৬ জন।

তিনি বলেন, ‘চলতি বছরের শুরু থেকে গত ২২ দিনের মধ্যে দিনের সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৯ জন। এছাড়া সর্বনিম্ন আক্রান্ত সনাক্তের সংখ্যা ছিল ২ জন। বছরের প্রথম দিনে বিভাগের মধ্যে ২ জন আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ৫ জানুয়ারি সর্বশেষ একজনের মৃত্যু হয়েছে।

অপরদিকে, পূর্বের তুলনায় সুস্থতার হার অনেক বেড়েছে। বছরের শুরু থেকে প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ জন পর্যন্ত সুস্থতা লাভ করছেন। এর মধ্যে বছরের শুরুতে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি মোট সুস্থতা লাভ করেছেন মোট ১৪ জন। এছাড়া ৮ জানুয়ারি সর্বোচ্চ ৩৬ জন সুস্থতার ছাড়পত্র পেয়েছেন।

এদিকে, ‘শীতে করোনা সংক্রমের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হবে বলে শঙ্কা ছিল বিশেষজ্ঞদের। কিন্তু করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সনাক্তের চিত্র সেই শঙ্কা কেটে গেছে বলে মনে করছেন অনেকে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে প্রশাসনের অভিযান, মোবাইল কোর্টসহ সচেতনতামূলক প্রচার প্রচারণার কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন সচেতন মহল।