নগরীতে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষ

প্রকাশিত: ৯:০৭ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার ॥ গতকাল মঙ্গলবার বরিশাল নগরে দুইটি শিাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩ দফায় ধাওয়া পালটা ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। টেকনিক্যাল স্কুল ও পলিটেকনিক কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। দুইটি প্রতিষ্ঠানের ‘কোন্ প্রতিষ্ঠান সেরা’ এই বিতর্কের পাশাপাশি নতুন করে যুক্ত হয়েছে ‘মোবাইল ছিনতাই’ বিরোধ। স্থানীয়রা জানান, পলিটেকনিক কলেজে পড়ুয়া কয়েক ছাত্রের সাথে টেকনিক্যাল স্কুলের কয়েক ছাত্রের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের “সুনাম ও মোবাইল” নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। ঘটনাটি প্রথম ঘটে গতকাল দুপুরে। সেদিনই প্রথম মারধর করা হয় তন্ময় ওরফে তাছিন খান নামের এক ছাত্রকে। তাছিন নগরের গোড়াচাঁদ দাস রোডের ভাড়াটিয়া বাসিন্দা হানিফ খান শান্ত’র ছেলে ও টেকনিক্যাল স্কুলের ১০ম শ্রেণির ছাত্র। মাথায় আঘাত লাগলে তাছিনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় হাসপাতালের ৫ম তলায় সার্জারি ওয়ার্ডে প্রতিপ (সন্দেহজনক) পলিটেকনিক কলেজের ৩য় বর্ষের ছাত্র তানভীরকে মারধর করে তাছিনের সহযোগীরা। পরবর্তীতে হাসপাতালের নীচ তলায় মাঝগেটে প্রতিপ তানভীরের মোটরসাইকেল ভাংচুর করে টেকনিক্যাল স্কুলের শিার্থীরা। এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা পুলিশ সদস্যরা কোনো শিার্থীকে আটক করেননি। শিার্থীদের এমন তা-বে হাসপাতালের রোগী ও স্বজনদের মাঝে ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করে। পরে হাসপাতালের সামনে থেকে ছাত্রদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। আহত তাছিন জানিয়েছে, বটতলার একটি কোচিং সেন্টার থেকে বের হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ছিনিয়ে নেয় প্রতিপ। এসময় মোবাইল নিতে বারণ করলে প্রতিপ তাছিনকে মারধর করে। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্যে গতকাল রাত ৮টায় বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি নুরুল ইসলামের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে আরেক অফিসার কল রিসিভ করে বলেন, ‘‘স্যার অসুস্থ। তিনি (ওসি) বিশ্রাম নিচ্ছেন”। পরে থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমানের ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি বলেন, আমি অসুস্থ, বাসায় আছি। থানায় খোঁজ নিয়ে বিষয়টি দেখছি। প্রতিপ তানভীর তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, হাসপাতালে আহত তাছিনের শরীরের খোঁজ-খবর নিতে গেলে আমাকে মারধর করা এবং আমার মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয়।