দুর্নীতির বরপুত্র বিসিসি’র চার কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত


Deprecated: get_the_author_ID is deprecated since version 2.8.0! Use get_the_author_meta('ID') instead. in /home/ajkerbarta/public_html/wp-includes/functions.php on line 4861
প্রকাশিত: ১১:১১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৬, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ॥

নানা অনিয়ম এবং দুর্নীতির দায়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) এর চার কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসরাইল হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।

বহিষ্কৃত কর্মকর্তারা হলেন, ‘সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বাজেট কাম হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান, প্রকৌশল শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এসও) আবুল কালাম আজাদ, ট্রেড লাইসেন্স সুপারিনটেনডেন্ট আজিজুর রহমান শাহীন ও হাট-বাজার শাখার সুপারিনটেনডেন্ট মো. নুরুল ইসলাম।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) স্বপন কুমার দাস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, ‘পূর্বে থেকেই চাকুরিচ্যুত এই চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে তারা দীর্ঘ দিন ধরে সাময়িকভাবে বরখাস্ত ছিলেন।

সবশেষ তাদের শোকজ করা হয়েছে। এতে নির্দিষ্টকরে উত্তর দিতে না পারায় মঙ্গলবার তাদের চাকুরি থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এর আগে গত মাসে মো. শাহীন নামে আরও একজন কর্মকর্তাকে স্থায়ীভাবে চাকুরিচ্যুত করেছে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ। তিনি সিটি মেয়র এর ব্যক্তিগত সহকারী ছিলো। এ নিয়ে গত দুই মাসে অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের চার কর্মকর্তা স্থায়ীভাবে চাকুরিচ্যুত হলো।

জানাগেছে, বাজেট কাম হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় দুদকে মামলাও রয়েছে।
এছাড়া আজিজুর রহমান শাহিন’র বিরুদ্ধেও দুর্নীতির ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগে তৎকালিন মেয়র শওকত হোসেন হিরন এর আমল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত একাধিকবার সাময়িক বরখাস্ত এবং ওএসডি হয়েছে।

এছাড়া বাজার শাখার তত্ত্বাবধায়ক নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধেও রয়েছে স্টল বানিজ্যের একাধিক অভিযোগ। বিভিন্ন বাজার থেকে অর্থ আদায় এবং অবৈধভাবে নামে-বেনামে স্টল বরাদ্দ দেয়ার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।
তাছাড়া বরখাস্ত হওয়া আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে রয়েছে জাল জালিয়াতি এবং উন্নয়ন প্রকল্পের নামে অর্থ আত্মসাতের একাধিক অভিযোগ।