‘তৌহিদী জনতার’ ওপর হামলার প্রতিবাদে বরিশালে সমাবেশ


Deprecated: get_the_author_ID is deprecated since version 2.8.0! Use get_the_author_meta('ID') instead. in /home/ajkerbarta/public_html/wp-includes/functions.php on line 4861
প্রকাশিত: ৬:১৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২১, ২০১৯

ভোলায় পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে চারজনের প্রাণহানির ঘটনার প্রতিবাদে বরিশাল নগরীতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে নগরীর সদর রোড অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে ‘তৌহিদী জনতার’ ব্যানারে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুুষ্ঠিত হয়।সমাবেশে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ ছিল। এছাড়া মহানগর ইমাম সমিতির নেতৃবৃন্দ এ সমাবেশে অংশ নেন।

সমাবেশ থেকে ভোলার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সাত দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো- নিহতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান, আহতদের সরকারি খরচে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা, গ্রেফতারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তি, এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহার, মহানবী (সা.) ও ইসলাম নিয়ে কটূক্তিকারীদের মৃত্যুদণ্ড আইন প্রণয়ন, এ ঘটনার জন্য অভিযুক্ত বিপ্লব চন্দ্র শুভকে দ্রুত বিচারের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড প্রদান ও তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার।নগরীর বাজার রোড জামিয়া আরাবিয়া খাজা মঈন উদ্দিন মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন- জামে এবায়েদুল্লাহ মসজিদের ইমাম মাওলানা নুরুর রহমান বেগ, বটতলা মসজিদের ইমাম মুফতি শাব্বির আহমেদ, মাহমুদিয়া মাদরাসার শিক্ষাসচিব মাওলানা আহমেদ আলী কাসেমী, মহানগর ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শামসুল আলম, মাহমুদিয়া মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা ওবাইদুর রহমান মাহবুব প্রমুখ।

এর আগে ভোলার ঘটনায় বিএম কলেজ ক্যাম্পাসে ‘সাধারণ ছাত্র’ ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। বিক্ষোভ মিছিল ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।ফেসবুকে মহানবী (সা.)-কে কটূক্তি করার অভিযোগে বিপ্লব চন্দ্র শুভ নামে এক ব্যক্তির বিচারের দাবিতে রোববার ভোলার বোরহানউদ্দিন ঈদগাহ মাঠে ‘তৌহিদী জনতার’ ব্যানারে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।সমাবেশে উপস্থিত হতে সকাল থেকে মাইকিং করা হয়। সমাবেশের জন্য পুলিশ অনুমতি না দিলেও সকাল ৯টা থেকে লোকজন মাঠে জড়ো হতে থাকে। মিছিল করতে না পেরে সেখানেই অবস্থান শুরু করে আয়োজকরা।

পরে পুলিশ ‘বাটামারা পীর সাহেব’ মাওলানা মহিবুল্লাহকে সেখান থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করেন এবং তাকে ঈদগাহ জামে মসজিদের দোতলায় নিয়ে যান। ওই সময় গুঞ্জন ওঠে, মাওলানা মহিবুল্লাহকে আটক করেছে পুলিশ।এ গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উত্তেজনা ছড়ায়। উত্তেজিত জনতা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করে। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে কয়েকশ মানুষ। পরে পুলিশ গুলি ছোড়ে। এতে চারজন নিহত হন। আহত হন দেড় শতাধিক।