ঝালকাঠিতে দাফনের ২১ বছর পরেও মৃতদেহ অক্ষত, এলাকায় চাঞ্চল্য

প্রকাশিত: ৯:১৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১, ২০২০

আককাস সিকাদার, ঝালকাঠি প্রতিনিধি ॥

ঝালকাঠিতে দাফন করার ২১ বছর পরেও অক্ষত অবস্থায় একটি মৃত্যু দেহ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অসংখ্য মানুষ ওই মৃতদেহ দেখতে ভিড় করে।

ঝালকাঠি গাবখান ধানসিড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসাইন জানান , ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের চরকাঠি গ্রামের মো. মুজাফফর আলী হাওলাদার ২১ বছর আগে মারা যান। বিষখালী নদীর তীরবর্তী বাড়ির পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর মৃতদেহ দাফন করা হয়। গ্রামটি প্রায় নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে । কবরটিও নদীতে বিলিন হওয়ার উপক্রম হওয়ায় মঙ্গলবার সকালে মৃত মুজাফফর আলী হাওলাদারের সন্তানরা কবর স্থানান্তরের উদ্যোগ নেয়। কবরটি খুড়লে তাতে দেখা যায় মৃত ব্যক্তির দাফনের কাপড় যেমন ছিলো প্রায় সে রকমই আছে আছে। এমনকি মৃত্যু দেহটিও প্রায় অক্ষত আছে। শুধু চামড়াগুলো হারের সাথে মিশে সুকিয়ে গেছে। দেখতে কিছুটা মমির মত ।

মরহুম মুজাফফর আলী হাওলাদারের ছেলে মো. আবুল বাশার বলেন, আমার মা তিন মাস আগে মারা যান। বাবার কবরটি নদীতে ভেঙে যাওয়া উপক্রম হওয়ায় আমাদের নতুন বাড়িতে মায়ের কবরের কাছে বাবার কবরটি স্থানান্তর করার চিন্তা করি। এছাড়া কিছু দিন আগে আমার প্রবাসী ভাই স্বপ্নে দেখেন বাবার কবরে লাশ অক্ষত আছে। তাই মঙ্গলবার সকালে কবর খুড়তে যাই। কবর খুড়ে দেখি দাফনের কাপড় যেমন ছিল প্রায় তেমনই আছে। সাথে দেহও প্রায় অক্ষত আছে। আমরা পুনরায় বাবার লাশ মায়ের কবরের পাশে দাফন করেছি। মরহুম মোজাফ্ফর হোসেনের আরেক ছেলে ঝালকাঠির আইনজীবী সহকারী মো. মোস্তফা হোসেন বলেন, আমার বাবা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তেন এবং মসজিদে আযান দিতেন । তিনি অত্যন্ত সৎ জীবন করতেন।

Sharing is caring!