চরফ্যাসনে শিক্ষক পরিবারকে জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা

প্রকাশিত: ৪:৫২ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৪, ২০২০

ভোলা জেলার চরফ্যাসন শশীভূষণ থানার দক্ষিণ চর মঙ্গল গ্রামে ভূমিসন্ত্রাসী আবু মুন্সির নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুন পরিবারকে ক্রয়কৃত জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্রয়কৃত জমির দখল বুঝে নিতে সন্ত্রাসীদের দাবীকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় জমি ক্রেতা কলেজ শিক্ষককে উচ্ছেদের চেষ্টা অব্যত রেখেছেন বলে জানাগেছে।

বেগম রহিমা ইসলাম কলেজের শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুন জানান,কলমী ইউনিয়নের দক্ষিণ মঙ্গল গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মফিজুল ইসলাম মাষ্টার ৪০ বছর আগে কলমী ইউনিয়নের দক্ষিণ চর মঙ্গল মৌজার ৬০ শতাংশ জমিক্রয় করে বাড়িঘর নির্মাণ করে বসবাস করেন। ২০১৯ সনের ১৫ ডিসেম্বর মফিজুল ইসলাম মাষ্টার বাড়িঘর পুকুরসহ ওই জমি কলেজ শিক্ষক তার কাছে (আবদুল্লাহ আল মামুন) বিক্রি করে দখল বুঝিয়ে দেন। বিক্রির পর স্থানীয় ভূমিসন্ত্রাসী আবু মুন্সি ও তার দলবল এই জমির দখল নিতে কলেজ শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুনের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদাদাবী করেন। এই চাঁদা না দেয়া পর্যন্ত ক্রয়কৃত বাড়িতে কোন সংস্কার কাজে হাত না দেয়ার জন্য কলেজ শিক্ষককে সতর্ক করেন। এঅবস্থার মধ্যে গতকাল শুক্রবার ক্রয়কৃত জমির মালিক আবদুল্লাহ আল মামুন বাড়ির পুকুর সংস্কার কাজ শুরু করলে আবু মুন্সি ও তার লোকজন বাঁধা দেন এবং দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর করেন। এ ঘটনায় গ্রামজুড়ে আতংক বিরাজ করছে।

রক্তক্ষয়ী সহিংসতার আশংকা বাড়তে গ্রামজুড়ে। বাড়িতে হামলার ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে বলে শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন। অভিযোগ প্রসঙ্গে আবু মুন্সি গতকাল বিকালে মুঠোফোনে এই প্রতিনিধিকে জানান, বাড়ির পুকুরসংস্কার জমি ভরাটের কাজে আমরা বাধা দিয়েছি। কারণ হিসেবে তিনি বলেন ওই জমি আমার বাবা হাফিজুর রহমান ৪০ বছর আগে মফিজ মাষ্টারের কাছে বিক্রি করেন। কিন্ত মফিজ মাষ্টার গোপনে জমিটি আবদুল্লাহ আল মামুনের কাছে বিক্রি করে যান। এখন বাড়ির মধ্যে আমাদের পাওনা জমি আছে। তাই বাঁধা দিয়েছে।

শশীভূষণ থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম জানান. এঘটনায় কোন অভিযোগ পাইনি । অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেযা হবে।