গৌরনদীতে প্রার্থীর নারী কর্মীর ওপর হামলা : ৪ দিন পর মামলা নিল পুলিশ

প্রকাশিত: ৮:১৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০২১

গৌরনদী প্রতিনিধি ॥ বরিশালের গৌরনদী পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ লুৎফর রহমান দীপের সমর্থক এক নারী কর্মীর ওপর হামলার ঘটনার ৪ দিন পর অবশেষে থানা পুলিশ মামলা গ্রহণ করেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানাগেছে, তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিতব্য এ পৌরসভা নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ লুৎফর রহমান দীপের টেবিল ল্যাম্প প্রতীকের সমর্থক নারী কর্মী উপজেলার বড় কসবা গ্রামের শাহজাহান হাওলাদারের স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে শিল্পী বেগম (৩৫) গত ১৮ জানুয়ারী ওই ওয়ার্ডের বাড়ি বাড়ি ঘুরে টেবিল ল্যাম্প প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছিলেন।

বেলা ১১টার দিকে তিনি দক্ষিণ পালরদী গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে ভোট চাইতে গেলে ওই বাড়ির মালেক হাওলাদার ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ লিটন বেপারীর বড়ভাই নুর ইসলাম বেপারী, রায়হান হাওলাদার, বিঠু হাওলাদার, কামাল হাওলাদার ও লাভলী বেগম লাঠিসোটা নিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালিয়ে শিল্পী বেগম (৩৫)কে পিটিয়ে আহত করেন। পরে স্বজনরা সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

ভুক্তভোগী শিল্পী বেগম জানান, ঘটনার পর হামলাকারীদের নামে থানায় মামলা দায়েরের জন্য গত ১৮ জানুয়ারী বিকেলে আমি গৌরনদী মডেল থানার ডিউটি অফিসার এসআই মোঃ কামরুজ্জামানের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেই। থানার ওসি এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তখন থানার এসআই মোঃ কামাল হোসেনের ওপর দায়িত্ব দেন। শিল্পী বেগম অভিযোগ করেন, দায়িত্ব নিয়ে এসআই কামাল হোসেন তার এজাহার গ্রহণে গড়িমসি করতে থাকেন। পরে তিনি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দ্বারস্থ হন শিল্পী। তাদের চাপের মুখে অবশেষে থানা পুলিশ শুক্রবার রাতে তার অভিযোগটিকে এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে।

অভিযোগ অস্বীকার করে গৌরনদী মডেল থানার এসআই মোঃ কামাল হোসেন বলেন, বাদীর অভিযোগ সত্য নয়, অভিযোগ পাওয়ার পরে ঘটনার তদন্ত হয়েছে। তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতার প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।