গোমা সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরুর দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত: ৯:২৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৮, ২০২১

বায়েজিদ বাপ্পি, বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ বাকেরগঞ্জের রাঙ্গামাটি নদীতে ৫৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই কিলোমিটার রাস্তাসহ ২৮৩ দশমিক ১৮৮ মিটার দীর্ঘ এ সেতুর দুই তৃতীয়াংশ কাজ শেষ হলেও সেতুটির উচ্চতা নিয়ে বিআইডব্লিউটিএর অভিযোগে সেতুটির নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, সেতুটি নির্মাণ হলে পটুয়াখালীর দুমকি থেকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার লক্ষীপাশা হয়ে বরিশাল যাতায়াতে সুবিধা হবে এলাকার লক্ষাধিক মানুষের। এই অঞ্চলের মানুষের দাবি সব জটিলতা কাটিয়ে যেন দীর্ঘদিনের বহুপ্রতীক্ষিত জনগণের স্বপ্নের গোমা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

উপজেলাবাসী সহ লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণের দাবী ছিল গোমা সেতু। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে আর সেই উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এই গোমা সেতু। এই সেতুর ৬৫ ভাগ কাজ যখন শেষের দিকে তখন বিআইডব্লিউটিএ ও সড়ক জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাদের সমন্বয়হীনতা ও উদাসীনতায় কোটি কোটি টাকার প্রকল্প বন্ধের পথে সাথে বন্ধ হয়ে গেছে লক্ষ লক্ষ মানুষের স্বপ্ন। সেতুর দুই পাড়ের শত শত লোকের জমি অধিগ্রহণ করে লাল নিশানসহ সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও ক্ষতিপূরণের টাকাও দেয়া হচ্ছে না। এই সমস্যা নিরসনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে স্থানীয় লোকজন। সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দানা বাধছে। সাধারণ জনগণ চায় অনতিবিলম্বে সেতুর কাজ সমাপ্তের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের স্বপ্নের বাস্তবায়ন। বুধবার বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে দুধল ইউনিয়নের ডি.কে.পি স্কুলের হাট কমিটি ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

উক্ত মানববন্ধনে প্রায় ৫ শতাধিক লোক উপস্থিত হয়। মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, গোমা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় স্বপ্নপূরণের দ্বারপ্রান্তে ছিলো বাকেরগঞ্জ উপজেলা বাসী। তবে হঠাৎ করে জটিলতার কারণে কাজটি বন্ধ হয়ে যায়। তারা আরো বলেন, সেতুটি নির্মাণের সময় উচ্চতার চিন্তা না করেই নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। তবে যে উচ্চতা করা হয়েছে তা দিয়ে ঢাকাগামী লঞ্চ চলাচল করতে পারবে না বলে অভিযোগ করে বিআইডব্লিউটিএ। তাই সেতুর নিচ দিয়ে ঢাকা গামী লঞ্চচলাচলের উপযোগী করে দ্রুত কাজ সম্পূর্ণ করার দাবী জানিয়েছেন তারা। ওবায়েদুল হক বাদল গাজীর নেতৃত্বে উক্ত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাজার কমিটির সভাপতি শিপন খান। আরো উপস্থিত ছিলেন দুধল ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর-হোসেন খান,স্বপন খান, হেনোয়ার গাজী, শিক্ষক জলিল মুন্সি, সাজিদ খান প্রমুখ।