খুলনার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বরিশালে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: ১০:২০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ::

নগরীতে নিয়ম বহির্ভূত ভবন নির্মাণ কাজে বাধা দেওয়ায় মারধর করে টাকা ও মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগে এক পুলিশ সদস্য’র বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১২টার দিকে বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী একটি পরিবার।

এসময় লিখিত বক্তব্যে হামলার শিকার নগরীর সিঅ্যান্ডবি রোডের মাতৃছায়া সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সুলতান আহমেদ এর ছেলে মো. শামীম আহমেদ বলেন, ‘খুলনা বিভাগে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা একই এলাকার বাসিন্দা কামাল হোসেন ২০১৪ সালে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্ল্যান ছাড়াই ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এসময় তারা শামীমদের ভবন ঘেঁষে তাদের ভবন নির্মাণ করছিলেন। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে শামীমের মা জাহানারা বেগম বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এর প্রেক্ষিতে নগর কর্তৃপক্ষ ওই ভবনের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ওই পুলিশ কর্মকর্তা ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিসিসি’র অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বার প্ল্যান অনুমোদন ছাড়াই ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করেন। তাই একইভাবে বিসিসি’র কাছে অভিযোগ করেন জাহানারা বেগম।

এতে ক্ষিপ্ত হন পুলিশ কর্মকর্তা কামাল হোসেন।
এরই ধারাবাহিকতায় কামাল হোসেন গত ১৪ সেপ্টেম্বর ছেলে সামিউল এবং সন্ত্রাসী মতিউর রহমানকে সাথে নিয়ে নগরীর চৌমাথা এলাকায় শামীম আহম্মেদের পথরোধ করে তার উপর হামলা করেন। তারা শামীমকে মারধর করে এক লক্ষ ১০ হাজার টাকা এবং একটি পালসার মোটরসাইকেল ছিনতাই করেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ওই ঘটনার রাতেই কোতয়ালী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রেজাউল আইনী ব্যবস্থা না দিয়ে ঘটনাটি মীমাংসার প্রস্তাব দেন। তার দেয়া প্রস্তাব না মেনে আইনী সহযোগিতা চান শামীম ও তার পরিবার। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তা হওয়ায় কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ হামলার শিকার পরিবারকে কোন ধরনের সহযোগিতা করছে না বলে অভিযোগ শামীমের।

এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা কামাল হোসেন এর বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

তবে অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রেজাউল বলেন, ‘মোটরসাইকেল চুরির একটি অভিযোগ আমার কাছে রয়েছে। তবে থানার বাইরে থাকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারেননি তিনি।

Sharing is caring!