খানাখন্দে ভরা বরিশাল-রহমতপুর মহাসড়কে ভোগান্তি : ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন


Deprecated: get_the_author_ID is deprecated since version 2.8.0! Use get_the_author_meta('ID') instead. in /home/ajkerbarta/public_html/wp-includes/functions.php on line 4861
প্রকাশিত: ৮:১২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৩, ২০২০

আরিফ হোসেন, বাবুগঞ্জ সংবাদদাতা ॥

সড়কপথে বরিশাল বিভাগের একমাত্র প্রবেশ পথ ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নবনির্মিত সংযোগ সেতুর দক্ষিণ পাশে ও বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতুর পূর্ব প্রান্তে সংযোগ সড়কে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

সড়কের বেশ কিছু এলাকায় দেখা দিয়েছে ছোট-বড় গর্ত। আবার কোথাও কোথাও সড়কের মাঝে ফুলে উঁচু হয়ে উঠেছে। ফলে প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।

শনিবার সন্ধ্যার পরে বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতুর পূর্ব প্রান্তে সৃষ্টি হওয়া গর্তে পড়ে দুই মোটরসাইকেল আরোহী রাস্তায় পড়ে গেলে পিছন দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী মাহিন্দ্র তাদের চাপা দেয়। এ সময় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সরেজমিন মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত কমপক্ষে ১০/১২ স্থানে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সাত মাইল স্ট্যান্ডে সড়কের বহু জায়গা উঁচু হয়ে উঠেছে। বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের সংযোগ সড়কের দুই পাশেই অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

এতে করে প্রতিনিয়ত এ মহাসড়কে কোনো না কোনো যান ও যাত্রীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।

মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী মালবাহী ও যাত্রীবাহী পরিবহন চালকরা জানান, মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় ছোট বড় অসংখ্য গর্ত রয়েছে। চলন্ত গাড়ীর চাকা গর্তের মধ্যে পড়ে ইঞ্জিন ও টায়ার-টিউবে সমস্যা হচ্ছে। পাশাপাশি যাত্রীদের চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে।

একাধিক মোটরসাইকেল চালক জানান, বৃষ্টি নামলেই মহাসড়কের গর্তে পানি জমে থাকে। ফলে ঠিকমত গর্ত দেখা যায় না। এমন পরিস্থিতিতে বাইকের গতি কম থাকলেও গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে। এছাড়াও বড় যানগুলো মোটরসাইকেল আরোহীদের গর্তে জমে থাকা পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিচ্ছে। এতে করে ভোগান্তি বাড়ছে ছোট যান চালকদের।

এ বিষয়ে বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, ইতিমধ্যেই বরিশাল অংশের মহাসড়কের মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। গর্ত গুলো ভরাট করারও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কাজ শুরু হলেও টানা বৃষ্টির কারণে মেরামতের কাজ শুরু হতে দেরি হচ্ছে।