ক্রেতা-বিক্রেতায় জমজমাট মঠবাড়িয়ার মানিকখালি পশুর হাট

প্রকাশিত: ৯:৪০ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৫, ২০২০

মো. শাহজাহান, মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি ॥

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার দক্ষিণের সীমানা ঘেঁষে মানিকখালি বাজার। বাজারটি পাথরঘাটা সীমানার মধ্যে থাকলেও মঠবাড়িয়ার দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ব্যাপক চাহিদা মেটায় এ বাজারটি। বিশেষ করে মঠবাড়িয়া, বামনা ও পাথরঘাটা এই ৩ উপজেলার মধ্যে জমজমাট পশুর হাট এটি।

কোরবানীর বাকি আছে আর মাত্র ৬ দিন। তাই আগের তুলনায় পর্যাপ্ত সংখ্যক ক্রেতা বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু ক্রেতা বৃদ্ধি পেলেও অতি মুনাফার আশায় গরুর দাম ধরে রাখছেন বিক্রেতারা।

কেউ কেউ আবার খাজনার ভয়ে বাজার থেকে কিনতে চাচ্ছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে ইজারাদাররা জানান, ৫০ হাজার টাকার গরুতে ৫ হাজার টাকার খাজনা নেওয়ার বিষয়টি গুজব। ১ হাজার টাকায় ৫০ টাকা হারে খাজনা নেওয়া হয়। বেশী দাম হলে খাজনা একটু কমিয়ে নেওয়া হয়।
বাজার মনিটরিং এর জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। পাশাপাশি মঠবাড়িয়ার এপারেও অস্থায়ী পশুর হাট বসানো হয়েছে। সেখানে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ আইন শৃঙ্খলার দায়িত্বে তৎপর রয়েছে।

মঠবাড়িয়া অংশে অস্থায়ী পশুর হাট বসালেও মানিকখালি বাজার থেকে এপার আসতে পার হতে হয় একটি আধা পাকা পোল। পোলটির মাঝখানে কাঠের তক্তা থাকায় অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই গরু পারাপার করতে হয়।

মানিকখালি বাজারে প্রচুর গরু দৃশ্যমান রয়েছে। গতকাল সর্বোচ্চ ৮৩ হাজার টাকার একটি গরু বিক্রি হয়েছে বলে ইজারাদার জানান। তবে বাজারে রয়েছে ১ লক্ষ টাকার গরুও।

সরেজমিনে দেখা যায়, ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়ে জমজমাট বেচাকেনায় বেপারীদের মুখেও ফুটেছে হাসি। তবে খামারের গরুর চেয়ে দেশী গরুর চাহিদা একটু বেশী।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বাজার জমতে শুরু করেছে। বাজারে যথেষ্ট পশু মজুদ থাকায় দামও সহনীয় থাকবে। পশুর কোন সংকট হবে না।