কাশিপুরে মসজিদের উপর থেকে বিদ্যুতের লাইন অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন

প্রকাশিত: ৩:৩৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ॥

নারায়নগঞ্জ ট্রাজিডির মত দ্বিতীয় অঘটনের আগেই মসজিদের নামাজী-মুসল­ীদের রক্ষা করার দাবিতে বরিশাল-ঢাকা মহা সড়ক ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় সংলগ্ন নগরীর কাশিপুর ইছাকাঠি বায়তুন নুর জামে মসজিদের ছাদের উপর থেকে ১১ হাজার কেভি ভোল্টের বিদ্যুতের লাইন সরিয়ে অনত্র নেয়ার দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় মুসল্লিরা।

আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২ টায় বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরের কাশিপুর ইছাকাঠি নামক স্থানে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

বায়তুন নুর জামে মসজিদের মোতাওয়ল্লী (জমিদাতা) বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোয়াজ্জেম হোসেন কামাল মুন্সির সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে আরো বক্তব্য রাখেন, মসজিদ কমিটির সভাপতি আবু হানিফ,বায়তুন নুর জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব হাফেজ মাওঃ শাইখ হাসনাইন মাহমুদ সিদ্দিকী প্রমুখ।

এসময় মুসল্লি ও মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ মসজিদের মুসল্লিদের জীবনের দিকে তাকিয়ে এই ভয়ানক বিপদজনক হাই ভোল্টের বিদ্যুতের তার সরিয়ে নিয়ে মুসল­ীদের জীবন রক্ষা করার কথা বলেন। তারা আরো বলেন, ইতি পূর্বে এই মসজিদের সহকারী ইমাম সহ একাধিক মুসল্লি বিদ্যুতের তারের কারণে আহত হয়েছেন।

এখনো যদি মসজিদের ছাদের উপর থেকে লাইন অপসারণ করা না হয় তাহলে যেকোন মুহূর্তে নারায়নগঞ্জ ট্রাজেডির মত দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। ‍অন্যদিকে মানববন্ধনের সভাপতি জমিদাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোয়াজ্জেম হোসেন কামাল মুন্সি বলেন, আমাদের ওয়াকফকৃত জমিতে মসজিদটি স্থাপিত করা হয়েছে।

ইতি পূর্বে আমাদের জমির উপর বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন ও মসজিদের ছাদের উপর দিয়ে ১১ হাজার ভোল্টের লাইন টেনে নেয়ার কারণে  মুসল্লিরা ছাদে নামাজ আদায় করতে পারেন না।

অন্যদিকে খুঁটির কারনণ মসজিদটির পরিসরও বাড়ানো যাচ্ছেনা। এব্যাপারে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন বিদ্যুৎ সচিব অরবিন্দ কর নিজেও লাইন সড়রয়ে নেয়ার কথা বলার পরও আজ পর্যন্ত তা কার্যকর হয়নি।

এব্যাপারে বহুবার বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে আবেদন করার পরও কোন দপ্তর থেকে মসজিদের উপর থেকে লাইন সরানোর জন্য  উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

এব্যাপারে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন (২) এর নির্বাহী প্রকৌশলী অমূল্য সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই লাইনগুলো ৩০/৩৫ বছরের পুরানো। আবেদন করা হলেইতো  বিদ্যুতের খঁটি সরিয়ে নেয়া যায় না। তাছাড়া যেকোন স্থাপনা করার আগেই ভাবতে হবে।

এছাড়া এখানে যখন বিদ্যুতের কার্যক্রম করা হয় তখন মসজিদ স্থাপনা ছিলনা। এরকম লাইন বরিশাল শহরের অনেক রয়েছে। সরিয়ে নিতে হলে পাশে জমি থাকতে হবে।

আমরা অনেক তদন্ত করে দেখেছি কিন্তু জায়গার অভাবে পারছি না। আপনার শহরে বিদ্যুতের প্রয়োজন রয়েছে। বিদ্যুৎ ছাড়া এই শহরের অবস্থা কি হবে।

 

 

Sharing is caring!