কাঁচা মরিচের কেজি ২ শ টাকা : বরিশালে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম

প্রকাশিত: ৭:১৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ১০, ২০২০

জিয়াউদ্দিন বাবু ॥ যতই দিন যাচ্ছে মাছ, মাংস ও তরকারীর দাম বেড়েই চলছে। করোনার কারণে বাজার মনিটরিং তেমন না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন। গতকাল শুক্রবার নগরীর পোর্টরোড, বড় বাজার, নতুন বাজার, বাংলা বাজার, বটতলা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, সব কিছুর দাম বেড়ে গেছে।

ব্রয়লার মুরগী প্রতি কেজি ১ শত ৫০ টাকা করে। সোনালী প্রতি কেজি ২ শত ৫০ টাকা, লেয়ার ২ শত ২০ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫ শত ৮০ টাকা থেকে ৬ শত টাকা করে। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭ শত থেকে ৭ শত ৫০ টাকা করে। এভাবে মাংসের দাম বেড়েই চলছে। ডিম প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা করে। কাঁচা তরকারির দাম বেড়েই চলছে। ব্যবসায়ীরা জানান, করোনার কারণে ঠিকমত মালামাল না আসায় দাম বেড়েই চলছে। অপর দিকে বন্যার উত্তরাঞ্চলে প্রভাব ও দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

পোর্ট রোডে বাজার করতে আসা সামসুল আলম ও গৃহবধূ তাসলিমা আকতার জানান, করোনা বা বন্যার কারণে নয়, ঠিকমত বাজার মনিটরিং না থানায় এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার দাবী জানিয়েছেন অনেকেই। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঢেরস বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা করে, পুঁইশাকের আটি ৩০ টাকা করে। পেঁপে প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ঝিংগা ৪০ টাকা, টমেটো ৬০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৫০ টাকা প্রতি কেজি। কাঁচা কলা ২৫ থেকে ৩০ টাকা।

এভাবে প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়েই চলছে। অপর দিকে কাঁচা মরিচের কেজি ১ শত ৬০ টাকা থেকে ২ শত টাকা করে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের দাম হঠাৎ করে বেড়ে গেছে। বন্যার কারণে অনেক জায়গায় পানি উঠেছে তাই কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।