করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ

প্রকাশিত: ৫:০৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ১১, ২০২০

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আপাতত ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ বিভাগ। বরাদ্দ হওয়া এ অর্থ ব্যয়ে কিছু শর্তসহ কোন খাতে কত টাকা ব্যয় করা যাবে সেটাও বলে দেওয়া হয়েছে। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গত ৫ মার্চ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে চিঠি দেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এ অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

বুধবার এ সংক্রান্ত একটি চিঠি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের উপ-সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ স্বাক্ষরিত বরাদ্দপত্রে বলা হয়, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে করোনাভাইরাস প্রতিরাধ ও ‘কোভিড-১৯’ এ আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার জন্য অর্থ বিভাগের অপ্রত্যাশিত ব্যয় ব্যবস্থাপনা খাত থেকে চলতি ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অনুকূলে সচিবালয় অংশে সাধারণ থোক বরাদ্দ খাতে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলো। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুকূলে এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এক্ষেত্রে চিকিৎসা ও শল্য চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সরবরাহবাবদ ব্যয় করতে হবে ৪৫ কোটি ৫১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। জনসচেতনায় প্রকাশনা কাজে ব্যয় করতে হবে এককোটি ৯৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এছাড়া কেমিক্যাল-রি-এজেন্ট খাতে ব্যয় করতে হবে ২ কোটি ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া বরাদ্দ হওয়া এ অর্থ ব্যয়ে কিছু শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এগুলো হচ্ছে- অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট অ্যাক্ট-২০০৬ এবং পাবলিক প্রোকিউরমেন্ট রুলস-২০০৮ অনুসরণসহ যাবতীয় সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান যথাযথভাবে পালন করতে হবে। এ অর্থ প্রস্তাবিত খাত (কোভিড-১৯) ব্যতীত অন্য কোনো খাতে ব্যয় করা যাবে না।

বরাদ্দপত্রে আরও বলা হয়েছে, এ অর্থ চলতি ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে সংশ্লিষ্ট খাতে সমন্বয় করতে হবে। এ খাতে অর্থ অন্য খাতে পুনরায় উপযোজন বা স্থানান্তর করা যাবে না। অব্যয়িত অর্থ (যদি থাকে) ২০২০ সালের ৩০ জুন মধ্যে সমর্পণ করতে হবে। এছাড়া অর্থ ব্যয়ের ১০ দিনের মধ্যে কোন কোন খাতে ব্যয় হয়েছে তার বিস্তারিত অর্থ বিভাগকে জানাতে হবে। এর আগে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় গত ৫ মার্চ ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের চিঠি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

Sharing is caring!