কমছে পায়রার পানি : আমতলীতে নদী ভাঙন তীব্র

প্রকাশিত: ৭:১১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৪, ২০২০

মো. জসিমউদ্দিন, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি ॥

অমবস্যার জোর প্রভাব ও অতি বৃষ্টিতে আমতলী ও তালতলীর উপকুলীয় এলাকায় স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে পানি বৃদ্ধি পেয়ে চরাঞ্চলসহ ৩০ টি গ্রাম তলিয়ে যায়। পায়রা নদীর পানি নামতে শুরু করায় নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। দ্রুত পায়রা নদীর ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

জানাগেছে, গত সাত দিন ধরে অমাবস্যার জো প্রভাব ও অতি বৃষ্টিতে পায়রা নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারে পানি বৃদ্ধি পেয়ে উপকূলীয় আমতলী ও তালতলীর চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকা তলিয়ে যায়। এতে মানুষ দুর্বিষহ জীবন যাপন করে আসছিল। পাকা আউশ ধান ও আমনের বীজতলার ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। পনি বৃদ্ধি পাওয়ায় পায়রা নদী তলদেশের মাটি আলগা হয়ে যায়। এতে নদী সংলগ্ন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। কিন্তু পানি নামতে শুরু করায় পায়রা নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে।

তেতুঁলবাড়ীয়া এলাকার অন্তত এক কিলোমিটার, বালিয়াতলী এলাকায় তিন’শ মিটার ও পশ্চিম ঘটখালী এলাকার দুই’শ মিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি নামায় ওই সকল এলাকার নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে।

সোমবার সরেজমিনে ঘুরে দেখাগেছে, উপজেলার তেতুঁলবাড়ীয়া, জয়ালভাঙ্গা, গাবতলী, মৌপাড়া, পচাঁকোড়ালিয়া, বালিয়াতলী, পশুরবুনিয়া, আড়পাঙ্গাশিয়া, পশ্চিম আমতলী, ফেরিঘাট, পুরাতন লঞ্চঘাট, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বৈঠাকাটা, পশ্চিম ঘটখালী ও আঙ্গুলকাটা এলাকার নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে।

আমতলীর পশ্চিম ঘটখালী গ্রামের পান্না আকন বলেন, পায়রা নদীর পানি নামার শুরুর সাথে সাথেই ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। নদী ভাঙনে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধও এখন হুমকির মুখে। ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানাই।

তালতলীর তেতুঁলবাড়ীয়া গামের মোঃ জসিম হাওলাদার বলেন, জোয়ারের পানিতে পায়রা নদীর মাটি আলগা হয়ে গেছে। ফলে পানি নামার সাথে নুতন করে ভাঙন শুরু হয়েছে।

Sharing is caring!