এমপি মিরার উদ্যোগে সড়ক সংস্কার : বানারীপাড়ার ৫ ইউনিয়নবাসীর ভোগান্তির অবসান

প্রকাশিত: ১০:৩০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৬, ২০২০

 

রাহাদ সুমন, বানারীপাড়া প্রতিনিধি ॥

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৫টি ইউনিয়নই ভয়াল সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড়ে। আর ওই জনপদের জনগনকে খড়স্রোতা সন্ধ্যা নদী পার হয়েই পৌর শহরে এসে তাদের দৈনন্দিন সকল প্রকার কাজকর্ম করতে হয়। ওই জনপদের অসংখ্য শিক্ষার্থী বরিশালের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত আছেন। তাদেরকেও নদী পার হয়ে বানারীপাড়া পৌর শহরে এসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়।

তবে গত কয়েক মাস পর্যন্ত ফেরী ঘাটের গ্যাংওয়ের সংযোগ সড়কটির অবস্থা বেহাল হয়ে পড়ে। যানবাহন এবং মানুষের চলাচলের কারণে সংযোগ সড়কটি অনেকটা নিম্নগামী হয়ে যায়। আর এতেই জোয়ারের পানিতে তলিয়ে থাকে সড়কটির অনেকাংশ। ফলে দৈনন্দিন চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন উপজেলার পশ্চিম জনপদের হাজার হাজার মানুষ। বিষয়টি এতোদিনে কারও নজর না কাড়লেও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ফোরকান আলী হাওলাদারের চোখ এড়াতে পারেনি।

জনগণের চলাচলের ভোগান্তির ব্যাপারটি সরেজমিন দেখেই বরিশালের সংরক্ষিত সংসদ সদস্য যিনি এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে গরীবের এমপি বলে পরিচিত, এ্যাডভোকেট সৈয়দা রুবিনা আক্তার মিরাকে জনগণের দুর্দশার কথা জানান বুধবার (৫ জুলাই)। এমপি মিরার অর্থায়নে বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) সকালেই বেহাল ওই সড়কের সংস্কারের কাজ শুরু করে উপজেলা ছাত্রলীগ। বরিশাল সড়ক ও জনপদ বিভাগ এই কাজে সার্বিক সহযোগিতা করেছে। এছাড়াও বানারীপাড়া পৌরসভার মেয়র এ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল রোলার মেশিন দিয়ে ওই কাজে সহায়তা করেন।

ছাত্রলীগ নেতা ফোরকান আলী হাওলাদারের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগের কর্মীরা সড়কটির সংস্কার কাজে যুক্ত ছিলেন। অনেক দিন পরে উপজেলার ৫ ইউনিয়নবাসীর পৌর শহরে আসতে চলাচলের প্রারম্ভের সড়কটি প্রাণ ফিরে পাওয়ায় তারা এমপি সৈয়দা রুবিনা আক্তার মিরা এবং উপ-মহাদেশের প্রাচীনতম বর্সবৃহৎ ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বানারীপাড়া উপজেলা শাখার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

Sharing is caring!