এডিপির টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ : মঠবাড়িয়ায় উপজেলা প্রকৌশলীর অপসারণের দাবি

প্রকাশিত: ২:০৮ অপরাহ্ণ, জুন ২৬, ২০২০

মঠবাড়িয়া সংবাদদাতা ॥ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার এডিপির ১২ প্যাকেজ’র প্রায় ৬১ লাখ টাকা কাজের টেন্ডারে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠছে। অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে সাধারণ ঠিকাদারেরা উপজেলা প্রকৌশলীর অপসারণ দাবীতে সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। তারা টেন্ডার বাতিলের দাবিতে আজ শুক্রবার দুপুরে মঠবাড়িয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সম্মুখ সড়কে সংবাদ সম্মেলন শেষে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সকল ঠিকাদার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দেন।

ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে টেন্ডার বাতিলের দাবি ও পুন:টেন্ডার দেয়ার আহ্বান জানিয়ে এবং প্রকৌশলীর অপসারণের দাবি করে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ঠিকাদার ও সাবেক কাউন্সিলর মো. হেমায়েত উদ্দিন, সাবেক কাউন্সিলর মো. জিল্লুর রহমান, খাইরুল ইসলাম কামাল, কামরুল আকন, তৌহিদ মাসুম, নজরুল ইসলাম সোহেল প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, উপজেলা প্রকৌশলী গত ১৮ জুন নোটিশে সহি করলেও ২১ ও ২২ জুন মাত্র দু’ঘণ্টা করে সিডিউল বিক্রি করেন। প্রতিটি সেটের মূল্য ৭শ টাকা বেশী নিয়ে ৫% কমিশন হিসেবে ফরম পূরণ করার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে অফিস কর্তৃপক্ষ আরএফকিউ নোটিশ দিয়ে উল্লেখ করেন শুধুমাত্র উপজেলাধীন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত ঠিকাদারগণ দরপত্রে অংশগ্রহণ করতে পারবে। যাহা যা সম্পূর্ণ বেআইন। আরএফকিউ পদ্ধতিতে শতাধিক ফরম বিক্রিও বে-আইনী বক্তারা উল্লেখ করেন। আরএফকিউ পদ্ধতিতে সকল ঠিকাদারদের সম্মুখে দরপত্র খোলার কথা থাকলেও অফিস কর্তৃপক্ষ গেট বন্ধ করে রহস্য জনক কারণে পছন্দমত কতিপয় ঠিকাদারদের বাছাই করে ২২% থেকে ২৭% কমিশন দিয়ে কাজ পাইয়ে দেন। দরপত্রে ১০ দিনের সময় উল্লেখ থাকলেও কতিপয় ঠিকাদারের স্বার্থসিদ্ধির জন্য ৩ দিনের মধ্যে তাড়াহুড়া করে সমাপ্ত করা হয়।

এব্যাপারে জানতে উপজেলা প্রকৌশলী কাজী আবু সাঈদ মোঃ জসীম এর মুঠো ফোনে শুক্রবার বিকেলে একাধিকবার ফোন করা হলেও রিসিভ না করায় কথা বলা যায়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঊর্মি ভৌমিক কতিপয় ঠিকাদারদের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে বক্তব্য চাওয়া হয়েছে। বক্তব্য পেলে অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Sharing is caring!