উজিরপুরের শোলক ৭নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য হিসেবে আবুল বাশারকে দেখতে চায় এলাকাবাসী

প্রকাশিত: ৮:১৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১

 

মহসিন মিঞা লিটন, উজিরপুর প্রতিনিধি ॥ বরিশালের উজিরপুরে শোলক ৭নং ওয়ার্ডে বিশিষ্ট সমাজসেবক, দানবীর, গরীব দুখী মানুষের প্রিয়ভাজন ব্যক্তি মোঃ আবুল বাশার সিকদারকে ইউপি সদস্য হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। তিনি বর্তমানে ইউপি সদস্য না হয়েও মহামারী করোনা মোকাবেলায় নিজস্ব অর্থায়নে ব্যাপক সাহায্য সহযোগিতা করেছেন। অসহায়দের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে তিনি সুপরিচিত হয়েছেন। দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে জনগণের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে মানবতার ফেরীওয়ালা নামকরণ হয়েছে তার।

 

এমনকী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাস্তা ঘাটসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নের তার অবদানের কমতি নেই। জনগণের খেদমতে তার কোন জুরি নেই। তিনি ধার্মিক, মার্জিত, শিক্ষিত, ন্যায়পরায়ণ, ভদ্র স্বভাবী, সৎ চরিত্রের অধিকারী হওয়ায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তাকে ভোট প্রদান করে ইউপি সদস্য পদে পুনরায় নির্বাচিত করার অঙ্গিকার করে অধিকাংশ ভোটাররা জোট বেধেছেন।

 

ওই ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য হিসেবে তাকে ছাড়া অন্য কোন প্রার্থী হিসেবে কাউকে ভাবতে পারছেন না ভোটাররা। তিনি ইতিপূর্বে ২০০৩ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ওই ওয়ার্ডে সুনামের সাথে ইউপি সদস্য’র দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে নেই কোন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ। দায়ীত্বরত থাকাকালীন সময়ে তিনি গরীব দুখীদের ভাতাসহ সরকারের সকল ধরনের সাহায্য সহযোগিতা সঠিক ভাবে যোগ্য পাত্রে অন্ন দান করে সফল মেম্বার আখ্যা পেয়েছিলেন।

 

এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তার কোন বিকল্প প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছেনা এলাকার জনগণ। আবুল বাশার জানান আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে তিনি প্রতিদিন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন এবং জনগণের মাঝে ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন। তিনি জনসমর্থনে এগিয়ে রয়েছেন। অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে শতভাগ বিজয় লাভ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য তিনি ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রার্থী হিসেবে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা ও দোয়া কামনা করেছেন। একাধিক ভোটার জানান, আবুল বাশার সিকদার ইউপি সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হলে এলাকায় মাদক,সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ,বাল্য বিবাহ মুক্ত এবং রাস্তা, ঘাট, ব্রীজ, স্কুল, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নয়ন হবে।