ইলিশ শিকার বন্ধ: ১৫ তারিখের মধ্যে জেলেদের চাল পৌছানোর নির্দেশ  


Deprecated: get_the_author_ID is deprecated since version 2.8.0! Use get_the_author_meta('ID') instead. in /home/ajkerbarta/public_html/wp-includes/functions.php on line 4861
প্রকাশিত: ১১:৫০ অপরাহ্ণ, মার্চ ৫, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রুপালি ইলিশ রক্ষার টানা ৭ মাস জাটকা ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। এরই মাঝে গত ১ মার্চ থেকে দেশের পাঁচটি অভয়াশ্রমে সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার এ চাপে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন জেলেরা। এ অবস্থা উত্তরণে ১৫ মার্চের মধ্যে জেলেদের মাঝে ৪০ কেজি করে চাল পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এবার বিভাগে ২ লক্ষাধিক পরিবার এ খাদ্য সহায়তা পাচ্ছেন বলে জানান বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আনিচুর রহমান।

উপ-পরিচালক আনিচুর রহমান বলেন, ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন জাটকা নিধন বন্ধে কর্মসূচি বাস্তবায়নে অসচ্ছল জেলেদের ৪০ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে। ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ২ কিস্তিতে জেলেরা এ চাল পাবেন। তিনি বলেন, এরই মধ্যে বরাদ্দ নিজ নিজ ইউপি কার্যালয়ে পৌঁছে গেছে। এ বছর বরিশাল বিভাগের ২ লাখ ১ হাজার ৭৯ পরিবার চাল পাবে। তাদের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১৬ হাজার ৮৬ টন চাল। মেহেন্দিগঞ্জের আলীমবাদ ইউনিয়নের জেলে রহিম উদ্দিনের পরিবারে সদস্য ছয়জন। গত কয়েক মাস ধরে তারা নিষেধাজ্ঞার জন্য ইলিশ ধরতে পারছেন না। আর এখন ষষ্ঠ অভয়াশ্রমের কারণে নদীতেই নামতে পারছেন না তিনি। যে কারণে নিদারুণ কষ্ট পোহাতে হয় এ জেলের। হিজলা উপজেলার হিজলা-গৌরবদী ইউপির জেলা আফজাল হোসেন জানান, সরকারি বরাদ্দর আশায় না থেকে তিনি দাদনের অর্থ খরচ করে ফেলেছেন। এখন সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। যে কারণে বাধ্য নিষেধাজ্ঞা উপক্ষো করে অনেক জেলে নদীতে নামছেন।

জানতে চাইলে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন, মেঘনা ঘেরা তার উপজেলায় ১৫ হাজার ২৫০ জেলে ৪০ কেজি করে চাল পেতে যাচ্ছেন। ১৫ মার্চের মধ্যে চাল দেওয়া শেষ করতে হবে। তিনি বলেন, জেলেদের তালিকা ইউপি কার্যালয় করে। ইউএনও এর তত্ত্বাবধায়ন করেন। হিজলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবদুল হালিম বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি জেলেদের খাদ্য সহায়তার বরাদ্দ প্রদানে জেলা প্রশাসক চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। ১৫ মার্চের মধ্যে জেলেদের মাঝে এ চাল চেয়ারম্যানদের বরাদ্দ দিতেই হবে। তার উপজেলায় ১১ হাজার ৪৫৭ জেলে রয়েছেন বলে জানান তিনি।

এসব প্রসঙ্গে বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আনিচুর রহমান বলেন, খাদ্য সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ করা একটি শ্রেণির অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এটি প্রকিক্রিয়াধীন রয়েছে। নিরীহ জেলেদের জীবিকার কথা চিন্তা করেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ মাসেই জেলেদের কাছে ১০ কেজি করে চাল পৌঁছে যাবে।