আগৈলঝাড়ায় ১শ ৬০ মন্ডপে মহা অষ্টমী পূজা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ৫:৩১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৪, ২০২০

তপন বসু, আগৈলঝাড়া প্রতিনিধি ॥

সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসবের মহা অষ্টমীর পুণ্য তিথীতে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় ১শ ৬০টি মন্ডপে ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শনিবার সকালে দেবী দুর্গার পূজার্চণা, শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, প্রসাদ বিতরণ করা হয়েছে। এদিন উপজেলার সকল মন্ডপে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ -এপি’র সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় বিশেষ প্রার্থনা সভা।

শনিবার সকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উপজেলা কেন্দ্রীয় মন্দিরে অষ্টমী তিথিতে পূজার্চণা শেষে মা’য়ের পায়ে ভক্তদের পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন শেষে জাতির পিতার ভাগ্নে, বরিশাল-১ আসনের এমপি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মন্দিরে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। একই দিন উপজেলার সকল মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হবার কথা জানিয়েছেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বাকাল ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাস।

গত বুধবার বোধনের মাধ্যমে এবারের দুর্গোৎসবের পূজার্চণা শুরু হয়, পূজার্চণা চলবে সোমবার বিজয়া দশমী তিথি পর্যন্ত। সোমবার বিজয়া দশমী পর্যন্ত চলবে দেবী দুর্গার আরাধনা। ঢাকের বাদ্যে মুখরিত থাকবে পূজামন্ডপগুলো।

পঞ্জিকামতে, এ বছর দেবী দুর্গা কৈলাশ থেকে মর্ত্যে এসেছেন দোলায় চড়ে এবং পূজা শেষে কৈলাশে গমন করবেন গজে (হাতি) করে। দুঃখ-দুর্দশা, বাধাবিঘœ, শত্রু ভয়, দুঃখ-শোক, জ্বালা-যন্ত্রণা এসব থেকে ভক্তকে রক্ষা করতে দেবী দুর্গা পূজিত হতে মর্ত্যে (পৃথিবীতে) আসেন।

শাস্ত্রে দুর্গা নামের অর্থ করেছেন- ‘দুঃখের দ্বারা যাকে লাভ করা যায়, তিনিই দুর্গা’। দেবী দুঃখ দিয়ে মানুষের সহ্য ক্ষমতা পরীক্ষা করেন। দুঃখে মানুষ অস্থির না হয়ে তাকে ডাকলেই তিনি তার কষ্ট দূর করেন। দুর্গা পূজার সঠিক সময় বসন্তকাল। যা বাসন্তী পূজা হিসেবে পরিচিত। কিন্তু বিপাকে পড়ে রাজা রামচন্দ্র শরতকালে দেবী দুর্গাকে অসময়ে জাগিয়ে পূজা করেছিলেন। সেই থেকে অকাল বোধন হওয়া সত্ত্বেও শরৎকালেই দুর্গা পূজার প্রচলন হয়।

Sharing is caring!