আগৈলঝাড়ায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মাণাধীন ঘর বিধ্বস্ত :  ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস

প্রকাশিত: ৪:৪৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৯, ২০২০

আগৈলঝাড়া সংবাদদাতা ॥
“জায়গা আছে, ঘর নেই” এমন অসহায় ও দুস্থদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব প্রকল্প থেকে মাথা গোঁজার আশ্রয় হিসেবে সারা দেশে অসহায়দের বসত ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের কারণে প্রধানমন্ত্রীর বাস্তবায়নাধীন ওই প্রকল্পের আওতায় বরিশালের আগৈলঝাড়ায় এক অসহায়ের বসত ঘর নির্মাণ কাজ শুরুতেই দেয়াল ধসে ভেঙে পড়েছে।

উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের জোবারপাড় (রামদেবেরপাড়) গ্রামের অসহায় অনন্ত বাড়ৈ গৃহহীন থাকায় প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্প থেকে অনন্ত বাড়ৈ একটি ঘর প্রাপ্ত হন।

জানা গেছে, গৃহহীনদের গৃহ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর এই প্রকল্পটি বাস্তবায় করছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন সভাপতি সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সদস্য সচিব প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।

আগৈলঝাড়া উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলায় অসহায়দের ঘর নির্মাণের দায়িত্ব প্রদান করেন গৈলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, গৈলা ইউপি সদস্য স্থানীয় ঠিকাদারী তরিকুল ইসলাম চাঁনকে।

অসহায় অনন্ত জানান, ঠিকাদার চাঁন কাজের ধারাবাহিকতায় বাগধা ইউনিয়নের অনন্ত বাড়ৈর মঙ্গলবার থেকে তার ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ঠিকাদার নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করায় নির্মাণাধীন তার ঘরের পশ্চিম ও দক্ষিণ পাশের দেয়াল বৃহস্পতিবার বিধস্ত হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য প্রদীপ রায় কাজের গুণগত মান নিয়ে কথা বলায় ঠিকাদার তরিকুল ইসলাম চাঁন ইউপি সদস্য প্রদীপকে গালমন্দ করেন বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপারে ঠিকাদার তরিকুল ইসলাম চাঁন সাংবাদিকদের বলেন, কাজের মান নিম্নমানের হয়নি। বৃষ্টির কারণে পানি জমে ওই দেয়াল ভেঙে পড়েছে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোশারফ হোসাইন বলেন, সরেজমিন গিয়ে কাজের মান দেখে সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অবহিত করা হবে। তার পরে কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঠিকাদার কাজ করবেন।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী রওশন ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ঘর নির্মাণ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা সরেজমিন বিষয়টি দেখে রিপোর্ট দেয়ার পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সেই পর্যন্ত ঠিকাদারের কাজ বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।

Sharing is caring!