অশ্বিনী কুমারের নামে বরিশাল কলেজের নামকরণের দাবিতে উদীচীর স্মারকলিপি


Deprecated: get_the_author_ID is deprecated since version 2.8.0! Use get_the_author_meta('ID') instead. in /home/ajkerbarta/public_html/wp-includes/functions.php on line 4861
প্রকাশিত: ৮:০৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০২০

 

স্টাফ রিপোর্টার \
অশ্বিনী কুমার দত্তের বাসভবনে পরিচালিত সরকারি বরিশাল কলেজের নাম ‘মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্ত’র নামে করার সরকারি প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী বরিশাল জেলা সংসদ। সোমবার বেলা ১১টায় বরিশালের জেলা প্রশাসকের হাতে উদীচীর পক্ষ থেকে ওই স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উদীচীর কেন্দ্রীয় সহসভাপতি অ্যাডভোকেট বিশ্বনাথ দাস মুন্শী, বরিশাল জেলার সভাপতি সাইফুর রহমান মিরণ, সহসভাপতি আবুল খায়ের সবুজ, উদীচীর সংগঠক আজমল হোসেন লাবু, সাধারণ সম্পাদক স্নেহাংশু বিশ্বাস, সহসাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান সাগর এবং সম্পাদকমÐলীর সদস্য মিঠুন রায়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অবিভক্ত ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশের তথা বরিশালের কৃতি সন্তান মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্ত। তাঁর নামে বরিশাল সরকারি কলেজের নামকরণের দাবিতে কয়েক যুগ ধরে বরিশালের সর্বস্তরের মানুষ আন্দোলন করে আসছে। ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় সরকারি বরিশাল কলেজের নামকরণ মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্তের নামে করে গেজেট নোটিফিকেশন জারি হওয়া অনেকটা এগিয়ে গেছে। এটা বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও দাবির স্বীকৃতিও বটে। তাই অবিলম্বে এই প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন হওয়া উচিত।
পাকিস্তান সরকারের আমলে মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্তের বাসভবনটি সরকার রিকিউজিশন করে এবং তিনি সর্বদা ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী ছিলেন বলে তার বাসভবনে ব্রজমোহন কলেজের কসমোপলিটান ছাত্রাবাস প্রতিষ্ঠা করা হয়।

১৯৬৬ সনে তার বাসভবনে প্রতিষ্ঠা করা হয় ‘বরিশাল নৈশ মহাবিদ্যালয়’। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর নৈশ কলেজটিকে প্রথমে বরিশাল দিবা ও নৈশ কলেজে রূপান্তর করা হয়। পরে এটির নামাকরণ করা হয় ‘বরিশাল কলেজ’। কলেজটিকে ১৯৮৬ সনে জাতীয়করণ করা হলে কলেজটির নামাকরণ করা হয় ‘সরকারি বরিশাল কলেজ’। ১৯৯২ সনে অশি^নী কুমারের বাসভবনটি ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলা হয়।

বর্তমান জেলা প্রশাসকের নিকট একই দাবি করা করা হলে বিষয়টি তদন্ত করে গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠিয়েছেন। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নীতিগতভাবে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি করা হয়েছে স্মারকলিপিতে।