অর্থনৈতিক ক্ষতিগ্রস্তের মুখে ফরচুন সুজ লিমিটেডর তিন প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত: ২:০৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৮, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিসিক বরিশাল এলাকায় অবস্থিত ফরচুন সুজ লিমিটিড, প্রিমিয়িার ফুটওয়ার লি: ও এমজে ইন্ডিাষ্ট্রিজগুলো দেশের অর্থনীতিতে ২০১০ সাল থেকে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলছে।

এ তিনিটি ফ্যাক্টরীতে ৪৫০০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিরলস প্ররিশ্রমের মাধ্যমে দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে। সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের কারনে বিভিন্ন দেশ থেকে ইতমধ্যে প্রেরিত ৩১ কোটি টাকার ক্রয় আদেশ বাতিল করা হয়েছে। যাহার ৫০ সতাংশ রপ্তানীর জন্য প্রস্তুত ছিলো। বাকি অংশ বিভিন্ন পর্যায়ে প্রস্তুতরত রয়েছে ফলে এ তিনটি ফ্যাক্টরী মারাত্বকভাবে অর্থনৈতিক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জনা গেছে।

বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় ফ্যাক্টরীগুলো বিভিন্ন মেয়াদে ১৭ দিন যাবত বন্ধ রয়েছে। ইতমধ্যে প্রস্তুতরত প্রায় ১ লক্ষ ২৪ হাজার জোড়া জুতা এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে রপ্তানী করতে না পারলে এ ক্রয় আদেশও বাতিল হবে যদি পন্য উদপাদন ব্যহত হয়। ধারনা করা হচ্ছে আগামী ৬ মাস ফ্যাক্টরীত্রয় চালু করতে জটিলতা হবে।

এছাড়া পন্য উদপাদন ব্যহত হলে দেশের অর্থনীতিতে ঋণাত্বক প্রভাব পরবে, যা কাম্য নয়। বিভিন্ন দেশ হতে প্রেরিত কার্যাদেশ বাস্তবায়নে ফ্যাক্টরীত্রয় অনতিবিলম্বে সম্পূর্ণভাবে চালু করা জরুরী হয়ে পড়েছে।

যদিও ফ্যাক্টরী সমূহে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য সুরক্ষার নিশ্চিতকরণ বিষয়ে জারিকৃত আদেশসমূহ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তথাপি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হয়রানীমূলক তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে কিছু কুচক্রীমহল ফ্যাক্টরীত্রয় বন্ধ করার অপচেষ্টা করছে।

এত প্রতিকুলতার মধ্যেও ফ্যাক্টরীগুলো প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে বিভিন্ন পর্যায়ে গরীবদের মাঝে ত্রান বিতরণ অব্যহত রেখেছে। ফ্যাক্টরীত্রয় জরুরীভিত্তিতে চালু করা না হলে ফ্যাক্টরীতে ৪৫০০ পরিবারবর্গ বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করার শংকা রয়েছে।

দেশের অর্থনিতি সুদৃঢ় রাখার নিমিেিত্ত ফ্যাক্টরীত্রয় জরুরী ভিত্তিতে সম্পূর্ণভাবে চালু করার বিষয়ে যথাযথ কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

Sharing is caring!