আজকের বার্তা | logo

৮ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২১শে মার্চ, ২০১৯ ইং

মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা!

প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৯, ২১:৫৯

মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা!

মৃত্যুর প্রায় চার মাস পর এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।ওই ব্যক্তির নাম মো. আবুল হোসেন হাওলাদার (৫৫)। তিনি ২০১৮ সালের ২ সেপ্টেম্বর মারা যান। অথচ তা জেনে-শুনেই ইউপি চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন খান গত ২৩ ডিসেম্বর আবুল হোসেন ও তার ছোট ভাই কালিশুরী ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক মো. খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দেন।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার গোসিংগা গ্রামের মো. জসিম মৃধার সঙ্গে যৌতুক চাওয়াকে কেন্দ্র করে তার স্ত্রী ফরিদা বেগমের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে প্রায়ই তিনি স্ত্রীকে মারধর করতেন। ওই ঘটনায় ২০১৬ সালের ২৩ জুন স্বামী জসিমের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন ফরিদা। ওই মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগ করেন জসিম মৃধা। মামলা করার পর থেকে ফরিদা তার ভাই আবুল হোসেন ও কলেজ শিক্ষক মো. খলিলুর রহমানের বাড়িতে থাকেন। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে জসিম উদ্দিন তার স্ত্রী ফরিদার দুই ভাই আবুল হোসেন ও খলিলুরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করেন। যা থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়। পরবর্তীতে আদালত ওইসব মামলা খারিজ করে দেন।

সর্বশেষ ২০১৭ সালের ২৯ নভেম্বর পটুয়াখালীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে স্ত্রীর দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন জসিম মৃধা। মামলায় উল্লেখ করেন, আসামিদের কাছে তিনি আট লাখ টাকা পান। আদালত ওই মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বাউফল সদর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন।আদালতের নির্দেশে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন খান। ইউপি চেয়ারম্যান তার তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর তিনি সরেজমিনে মামলাটির তদন্ত করেন এবং মামলার সাক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন, মামলার আরজির ঘটনা সত্য।

ওই মামলার এক নম্বর স্বাক্ষী মো. রিয়াজ মৃধা বলেন, মামলা ও মামলার ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। আমার সঙ্গে চেয়ারম্যান সাহেব কোনো কথা বলেননি।এ ঘটনার মৃত আবুল হোসেনের ছোট ভাই মো. খলিলুর রহমান বলেন, ‘একটি মিথ্যা এবং সাজানো মামলায় কোনো ধরনের সরেজমিন তদন্ত ছাড়াই আমার এবং আমার মৃত ভাইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দিয়েছেন চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন খান। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার চাই।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন খান বলেন, ‘মামলার বাদী আমার ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং বিবাদীগন আমার পার্শ্ববর্তী মদনপুরা ইউনিয়নের বাসিন্দা। কিন্তু আসামি মো. আবুল হোসেন মারা গেছেন-এ বিষয়টি কেউ আমাকে জানায়নি।’ সব স্বাক্ষীদের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন বলেও দাবি করেন চেয়ারম্যান।

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।