আজকের বার্তা | logo

২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৩ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং

আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৮১জন: বাতিল ৭৪

প্রকাশিত : ডিসেম্বর ০৭, ২০১৮, ০১:৪৭

আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৮১জন: বাতিল ৭৪

বার্তা ডেস্ক ॥ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ৮১জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ জাতীয় নির্বাচন ভবনে প্রার্থীদের আপিলের শুনানি শেষে এ তথ্য জানানো হয়। বাতিল হওয়াদের মধ্যে আরো দুই প্রার্থীর মনোনয়ন ফিরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এছাড়া ৭৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল বহাল রাখে নির্বাচন কমিশন। এর আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক বাতিল হওয়া ৫৪৩ জন প্রার্থী আপিল আবেদন করেন। গতকাল ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত তারা আবেদন করেছেন নির্বাচন কমিশনে। তবে গতকাল আপিল শুনানি হওয়া ১৬০ জনের মধ্যে ৩ জন প্রার্থী উপস্থিত হননি। শুক্র ও শনিবার বাকি আপিল নিষ্পত্তি করবে কমিশন। মোট ৩ হাজার ৬৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। যাচাইয়ের পরে ৭৮৬ জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়। এর ফলে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২ হাজার ২৭৯ জনে। এরপর গত ৩ ডিসেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল। ৭৮৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫৩৪ আপিল করেন। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হলো আপিলের শুনানি। ৬ ডিসেম্বর থেকে ৮ ডিসেম্বর প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে আপিলের শুনানি শুরু হচ্ছে। প্রথম দিনে ১-১৬০ পর্যন্ত আপিলের শুনানি হলো। আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে ১৬১-৩১০ পর্যন্ত। আর অবশিষ্ট আপিলের শুনানি হবে শনিবার।
প্রথম দিনে যারা টিকে গেলেন:
পটুয়াখালী-৩: বিএনপির প্রার্থী গোলাম মাওলা রনি। হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। বগুড়া-৭: বিএনপির প্রার্থী মোরশেদ মিল্টন। ওই আসনে তিনি খালেদা জিয়ার বিকল্প প্রার্থী। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ার কারণ দেখিয়ে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল।
ঢাকা-১: বিএনপির খন্দকার আবু আশফাক। চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। ঢাকা-২০: বিএনপির তমিজ উদ্দিন। চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল।
জামালপুর-৪: ফরিদুল কবির তালুকদার। চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। কিশোরগঞ্জ-২: বিএনপির প্রার্থী আখতারুজ্জামান। মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল খেলাপী ঋণের জামিনদার হিসেবে ঋণ খেলাপী হওয়ায়। ঝিনাইদহ-২: বিএনপির আব্দুল মজিদ। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। পটুয়াখালী-১: ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মো. সুমন সন্যামত। আয়কর রিটার্নের কপি না দেওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। পটুয়াখালী-৩: বিএনপির মোহাম্মদ শাহজাহান। মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল ঋণখেলাপের অভিযোগে। মাদারীপুর-১: জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম মিন্টু। অসম্পূর্ণ ফরম জমা দেওয়ায় এবং স্বাক্ষর ঠিকমত না থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল।
সিলেট-৩: বিএনপির প্রার্থী আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। মূল হলফনামায় স্বাক্ষর ছিল না। জয়পুরহাট-১: বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ফজলুর রহমান। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। পাবনা-৩: বিএনপির প্রার্থী মো. হাসাদুল ইসলাম। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল।
মানিকগঞ্জ-২: উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদতাগপত্র গৃহীত না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। সিরাজগঞ্জ-৩: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আয়নুল হক। মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল বিল খেলাপি হওয়ায়। গাজীপুর-২: জাতীয় পার্টির প্রার্থী জয়নাল আবেদীন। হলফনামায় মামলা সংক্রান্ত তথ্য গোপনের কারণ দেখিয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬: জাতীয় পার্টির প্রার্থী জেসমীন নূর বেবী। হলফনামা নোটারি না করায় এবং ২০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প অথবা সমপরিমাণ কোর্ট ফি না দেওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল হেলাল। মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল পৌর কর পরিশোধ না করার কারণে। রংপুর-৪: জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তফা সেলিম। আরপিওর ব্যত্যয় ঘটানোর কারণ দেখিয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল।
হবিগঞ্জ-১: বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী জোবায়ের আহমেদ। মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল হলফনামায় সই না থাকায়। ময়মনসিংহ-২: স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবু বকর সিদ্দিক। মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল ঋণ খেলাপির অভিযোগে।
ময়মনসিংহ-৭: বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবেদিন। বাতিলের কারণ জানা যায়নি। কুড়িগ্রাম-৩: বিএনপির প্রার্থী আব্দুল খালেক। মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল ঋণ খেলাপির অভিযোগে। কুড়িগ্রাম-৪: গণফোরামের মো. মাহফুজুর রহমান। মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল ঋণ খেলাপির অভিযোগে। কুড়িগ্রাম-৪: স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুছ আলী। মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন না থাকায়। পঞ্চগড়-২: বিএনপির প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আজাদ। হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল। অন্যদিকে যাদের আপিল খারিজ হয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন: বগুড়া-৪ আশরাফুল হোসেন আলম, ঢাকা-১৪ সাইফুদ্দিন আহমেদ, মৌলভীবাজার-২ মহিবুল কাদির চৌধুরী। এছাড়া স্থগিত রয়েছে ঝিনাইদহ-৩ আসনের মো. কামরুজ্জামান স্বাধীন ও চট্টগ্রাম-৫ আসনের মির মোহাম্মদ নাছিরের আপিল।

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।