আজকের বার্তা | logo

৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৯শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং

একই পরিবারের ৫ জনকে অচেতন করে মালামাল লুট ঝালকাঠিতে

প্রকাশিত : নভেম্বর ০৫, ২০১৮, ২৩:৩০

একই পরিবারের ৫ জনকে অচেতন করে মালামাল লুট ঝালকাঠিতে

অনলাইন সংরক্ষণ  //  ঝালকাঠির নলছিটির দক্ষিন তিমিরকাঠী গ্রামে একই পরিবারের ৫ জনকে অচেতন করে সর্বস্ব হাতিয়ে নিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। অচেতনদের কে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নলছিটি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আচেতনরা হচ্ছে, মাসুমা বেগম(৮০) , ফজলুর রহমান হাওলাদার (৬০) ,রাশিদা বেগম (৫৫) , সুমাইয়া আক্তার (২৬) ও লিজা আক্তার (২৩) বর্তমানে তারা হাসপাতালে মূমুর্ষ অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয় ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ নভেম্বর (শনিবার) ঐ গ্রামের বাসিন্দা ফজলুর রহমান হাওলাদারের ঘড়ের রাতের খাবারের সাথে অচেতন নাশক ঔষধ মিশিয়ে দেয় একটি প্রতারক চক্র। খাবার খেয়ে মধ্যরাতে অচেতন হয়ে পরে তারা। সেই সুযোগে ঘড়ের ৩টি সিঁধ কেটে একটি অচেতন কারী প্রতারক চক্র ভিতরে প্রবেশ করে।

এ সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নগদ অর্থ, স্বর্নালংকার ও মালামাল লুট করে পালিয়ে যায় চক্রটি।পরে স্থানীয়রা অচেতনদের কে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ব্যাপারে ফজলুর রহমানের ছেলে রুবেল জানায়, আমি ঢাকায় থেকে সংবাদ পেয়ে বরিশালে ছুটে আসি। এখন পর্যন্ত আমরা প্রতারক চক্রটির কাউকে চিনতে পারিনি। তাই এ ঘটনায় আমার বাবা ফজলুর রহমান বাদি হয়ে ৫ নভেম্বর (সোনবার) নলছিটি থানায় অজ্ঞাত নামা আসামী করে একটি এজাহার দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখওয়াত হোসেন জানান, সংবাদ পেয়ে টহল পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছে। এবং ভুক্ত ভোগীদের ধারনা রাতের খাবার খাওয়ার পর অচেতন হয়ে পরে তারা । পরে এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।