আজকের বার্তা | logo

৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৯শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং

বাউফলে অতিরিক্ত দামে ইউরিয়া সার বিক্রির অভিযোগ

প্রকাশিত : অক্টোবর ০৭, ২০১৮, ০৩:০০

বাউফলে অতিরিক্ত দামে ইউরিয়া  সার বিক্রির অভিযোগ

আরেফিন সহিদ, বাউফল প্রতিনিধি ॥ পটুয়াখালীর বাউফলে ইউরিয়া সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির কোন প্রকার তৎপরতা না থাকায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাউফল উপজেলায় বিসিআইসি অনুমোদিত মোট ১৪ জন ডিলার রয়েছেন। প্রতি বছর আমন বীজ রোপণ করার পর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে ইউরিয়া সারের চাহিদা  বহুগুণ বেড়ে যায়। চলতি বছর অক্টোবর মাসে উপজেলায় মোট ৪০০ মেট্রিকটন ইউরিয়া সার বরাদ্দ দেয়া হয়। এরআগে সেপ্টেম্বর মাসে ৪৫০ মেট্রিক টন সার বরাদ্দ দেয়া হয়। চাহিদা পুরণ না হওয়ায় আজকালের মধ্যে আরও ৫০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার বরাদ্দ দেয়া হবে। কৃষকদের কাছে সহজে এবং ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে দেয়ার জন্য সরকার প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে খুচরা ডিলার নিয়োগ করেছে। বর্তমানে বাউফল উপজেলায় মোট ৯৬ জন খুচরা ডিলার রয়েছেন। বিসিআইসি অনুমোদিত ডিলারের কাছ থেকে খুচরা বিক্রেতারা সার নিয়ে তা কৃষকদের কাছে বিক্রি করেন। গতকাল শনিবার বাউফল উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়, প্রতি বস্তা ইউরিয়া সার বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকায়। অথচ সরকার প্রতি বস্তা ইউরিয়া সারের খুচরা মূল্য নির্ধারণ করেছে ৮০০ টাকা। অতিরিক্ত দাম প্রসঙ্গে কথা হয় কয়েকজন খুচরা বিক্রেতার সঙ্গে। বাউফল উপজেলার নুরাইনপুর বাজারের খুচরা সার বিক্রেতা এনামুল হক, হাফেজ সরদার, হেলাল মৃধা ও মোহন সিকদার বলেন, ‘‘বিসিআইসি অনুমোদিত ডিলার তপন কুমার ও মাহবুব সিকদারের কাছ থেকে আমরা সার ক্রয় করি। তারা আমাদের কাছে প্রতি বস্তা ইউরিয়া সার ৮৮০ টাকা বিক্রি করেন। এরপর আবার পরিবহন খরচ রয়েছে। আমরা প্রতি বস্তা ইউরিয়া সার ১০০০ টাকায় বিক্রি করি।” সরকার নির্ধারিত মূল্য ৮০০ টাকা প্রসঙ্গে তারা বলেন, ‘‘আমরা ডিলারের কাছে সারের জন্য গেলে তারা বলেন সার নেই। এভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি করা হচ্ছে।” অবশ্য অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করেন বিসিআইসি অনুমোদিত ডিলার তপন কুমার ও মাহবুব সিকদার। এদিকে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ইউরিয়া সার বিক্রি করায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন কৃষকরা।   কালিশুরী, ধুলিয়া, কেশবপুর, সূর্যমণি, নাজিরপুর ও মদনপুরা ইউনিয়নের একাধিক কৃষক বলেন, ‘‘দোকানে গেলে আমাদের কাছে বলা হয় সার নেই। দাম বেশি দিলে পরে গুদাম থেকে সার বের করে দেয়া হয়।” এ  প্রসঙ্গে বাউফলের উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব লাল সরকার বলেন, অতিরিক্ত মূল্যে সার বিক্রি করার কোন সুযোগ নেই।  যদি  কেউ অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।