আজকের বার্তা | logo

৩০শে কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৩ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং

নির্বাচনী সহিংসতায় নগরীর ১১নং ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ির সমর্থককে পিটিয়ে আহত

প্রকাশিত : জুলাই ১৫, ২০১৮, ০০:৫৩

নির্বাচনী সহিংসতায় নগরীর ১১নং ওয়ার্ডে  ঠেলাগাড়ির সমর্থককে পিটিয়ে আহত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ নগরীর ১১নং ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রচারণায় বাধা, হামলা ও কর্মীদের মারধর অব্যাহত রয়েছে। প্রচারণা শুরুর দিন থেকে ওই কর্মকা- শুরু হয়। নির্বাচনী প্রচারণার শুরুর দিন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মারুফ আহম্মেদ জিয়ার প্রচার মাইক ভাংচুর ও তার কর্মী শুক্কুর আহম্মেদকে মারধর করেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মজিবরের লোকজন। এরপর থেকে প্রতিদিনই ঠেলাগাড়ি প্রতীকের প্রার্থী জিয়ার প্রচারণায় বাধা দেয়াসহ নানা কর্মকা-ের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শনিবারে ঠেলাগাড়ি প্রতীকের প্রার্থী জিয়া ও তার কর্মীদের প্রচারণায় বাধা দেয়া হয়। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নির্বাচনী ভ্রাম্যমাণ আদালত গিয়ে তাদের প্রচারণা নির্বিঘœ করেন। তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পরেই ঘুড়ি প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকদের মারধর করেছেন মজিবর রহমান ও তার দুই ভাই। বিষয়টি আড়াল করতে প্রার্থী জিয়া ও তার কর্মীদের বিরুদ্ধে ওয়ার্ড যুবলীগের কার্যালয় ভাংচুরের মিথ্যা অভিযোগ এনে তাদের অনুসারী নারীদের নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। হামলা ও মারধরের শিকার ফুটবলার হলেন ওয়ার্ডের চরেরবাড়ি এলাকার বাসিন্দা আলহাজ্ব মো. সামসুল হক। তিনি জানান, বিকেলে স্টেডিয়াম সংলগ্ন মাদ্রাসা সড়কে ঠেলাগাড়ি প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা করার জন্য যান। তারা ওই এলাকায় পৌঁছানোর  সাথে সাথে  প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মজিবরের স্ত্রী ও কয়েক নারী এসে উপস্থিত হন। জিয়ার ঠেলাগাড়ি প্রতীকে ভোট প্রার্থনার জন্য যে বাসায় যান, সেখানে গিয়ে তারা হাজির হন। ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময় করার সময় মজিবরের স্ত্রী ও নারী অনুসারীরা নানা সেøøাগান দিতে শুরু করে। প্রচারকাজে বাধা দেয়ার খবর পেয়ে নির্বাচনী ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে গেলে মজিবরের স্ত্রী ও তার অনুসারী নারাীরা ঘটনাস্থল থেকে সরে যান। ভ্রাম্যমাণ আদালত চলে যাওয়ার পর মাদ্রাসার সামনে আসেন প্রার্থী মজিবর, তার ভাই ইমন ও মামুনসহ কয়েকজন। ফুটবলার সামসুল হক বলেন, নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করে প্রার্র্থী জিয়াকে পাঠিয়ে দিয়ে তিনি মাদ্রাসার সামনে ছিলেন। তখন আকস্মিকভাবে মজিবর, তার ভাই ইমন, মামুন, ফারুক, জাহাঙ্গীর, রাকিব, রাব্বি, খোকন, আল আমিন ও বাশারসহ ক্যাডাররা এসে হামলা করেন। তারা বেধড়কভাবে তাকে মারধর করেন। তিনি সড়কে পড়ে প্রায় অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তখন এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এই ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। কোতোয়ালী মডেল থানা জানিয়েছে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা না এলে বিষয়টি জিডি না অভিযোগ হিসেবে নেয়া হবে তা জানানো যাবে। এদিকে যুবলীগের ওয়ার্ড কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ এনেছে নগরীর ১১নং ওয়ার্ডের বস্তিবাসী। তাদের দাবি, ঠেলাগাড়ি মার্কার লোকজন তাদের যুবলীগের অফিস ভাংচুর করেছেন। এ ব্যাপারে ঘুড়ি প্রতীকের প্রার্থীর ভাই ইমন জানান, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জিয়ার পক্ষে শফিকুল আলম গুলজার, ফুটবলার সামসুল হক, তার ভাতিজা রাজু, সাগরসহ কয়েকজন ওয়ার্ড যুবলীগের কার্যালয় হামলা ভাংচুর করেছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। তবে এর সত্যতা পাওয়া যায়নি।

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।