আজকের বার্তা | logo

১লা শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৫ই জুলাই, ২০১৮ ইং

অর্থমন্ত্রীর কথাকে যেভাবে অতিরঞ্জিত করে প্রকাশ করছে কিছু বেনামী গণমাধ্যম

প্রকাশিত : জুন ০২, ২০১৮, ১৯:২০

অর্থমন্ত্রীর কথাকে যেভাবে অতিরঞ্জিত করে প্রকাশ করছে কিছু বেনামী গণমাধ্যম

নিউজ ডেস্কঃ সম্প্রতি ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাষ্ট (বিএসটি) আয়োজিত ‘স্বপ্ন পূরনের বাজেট: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির রূপরেখা’ শীর্ষক এক গোল টেবিল আলোচনায় কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিএসটি’র চেয়ারম্যান ড.এ.কে. আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের বিনিয়োগে কালো টাকা সাদা করা সমাধান নয়। যাদের কালো টাকা বিদেশে নেয়ার তারা নিয়ে যাবেই। সাদা করার সুযোগ দিলেও কোনো কাজ হবে না। কালো টাকা মালিকরা এই অপরাধ অব্যাহত রাখবেন।

কিন্তু অর্থমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে অতিরঞ্জিত করে কিছু সংবাদ মাধ্যম মিথ্যা ও ভুল তথ্য প্রচার করছে। কিছু বেনামী অনলাইন পত্রিকার সংবাদে বলা হচ্ছে, অর্থমন্ত্রী প্রশ্ন করে বলেছেন, টাকা পাচার হয়ে গেলে আমারা কি করবো? যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, অতিরঞ্জিত ও সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার মতো সংবাদ।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, আসন্ন ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার (অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ) সুযোগ থাকছে। তবে অর্থমন্ত্রী বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিতে চাচ্ছে না। কারণ অতীতে এই ধরনের অনেক সুযোগ দেয়া হয়েছে কিন্তু তাতে কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। কিন্তু অর্থমন্ত্রী কখনোই টাকা পাচার হয়ে গেলে আমাদের কিছু করার নেই, এমন কোনো কথা বলেন নি। বরং কালো টাকা সাদা করার সুযোগ না দিলেই বিপুল পরিমাণ টাকা দেশ থেকে পাচার হয়ে যাবে। যা দেশের জন্য ক্ষতিকর।

ইতিমধ্যে টাকা পাচার রোধে নানা ধরনের পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে সরকার। মানি লন্ডারিং রোধে তৈরি হয়েছে নানা আইন। স্বয়ং অর্থমন্ত্রী মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিল পাসের প্রস্তাব করেন। আইন-২০১২ কার্যকারিতা বৃদ্ধি, বিশেষত: তদন্ত সংক্রান্ত বিধানসমূহ আরো কার্যকর করার ব্যবস্থা গ্রহণে বিভিন্ন বিধান করে সংসদে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) বিল-২০১৫ সংশোধিত আকারে পাস হয়।

যে আইনে বলা আছে, আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত সময়সীমার মধ্যে অর্থদন্ড পরিশোধে ব্যর্থ হলে আদালত অপরিশোধিত অর্থদন্ডের পরিমাণ বিবেচনা অতিরিক্ত কারাদন্ডে দন্ডিত করার আদেশ প্রদান করতে পারবে। নতুন উপ-ধারা (৪)এ বলা হয়েছে, কোন সত্তা এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংগঠন করলে বা অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা, সহায়তা বা ষড়যন্ত্র করলে ধারা ২৭ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (২) এর বিধান অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে এবং অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্যের অন্যূন দ্বিগুণ অথবা ২০ লাখ টাকা, যা অধিক হয়, অর্থদণ্ড প্রদান করা যাবে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য হবে।

এরপরেও যদি কোনো বেনামী মিডিয়া শুধু সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার জন্য অর্থমন্ত্রীকে জড়িয়ে কোনো মিথ্যা সংবাদ তৈরি করে তা দুঃখজনক বলে জানান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স এন্ড ল’স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের এক আইনজীবীর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রীর কথাকে বিকৃত করে প্রকাশ করা হয়েছে। যার ফলে অর্থমন্ত্রীর মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে। ফলে অর্থমন্ত্রী চাইলেই উক্ত সংবাদ মাধ্যমের বিরুদ্ধে ৫০০, ৫০১ ও ৫০২ ধারা অনুযায়ী মানহানী মামলা করতে পারেন। এছাড়া ৫৭ ধারায়ও মামলা করতে পারবেন।

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।