আজকের বার্তা | logo

৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং

বিয়েপাগল প্রবাসীর কাণ্ড!

প্রকাশিত : মার্চ ২৩, ২০১৮, ০৯:৩১

বিয়েপাগল প্রবাসীর কাণ্ড!

নবীগঞ্জে স্বামীর প্রতারণায় দিশাহারা গৃহবধূ সাইমা। দুবাই প্রবাসী স্বামী হাফেজ মঈন উদ্দিন প্রথম বিয়ের খবর গোপন রেখে তাকে বিয়ে করে। কিছু দিন সংসার করার পর মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি দেয়। স্ত্রী সাইমার কোনো খোঁজখবর না নেয়ায় সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে বহু নারী আসক্ত প্রবাসী মঈন উদ্দিনের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটিত হয়। এরই জের হিসেবে তার বিরুদ্ধে নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা হয়।

জারি হয় গ্রেপ্তারি পরওয়ানা। বিপাকে পড়ে হাফেজ মঈন উদ্দিন। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য হন্যে হয়ে পুলিশ মাঠে নামে। সুচতুর মঈন উদ্দিন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে বিদেশ পালানোর চেষ্টা করছে। এনিয়ে বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশকে (পাসপোর্ট নং বিএইচ ০৫৭৯৩২৮) তাকে গ্রেপ্তারের জন্য তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। সে বাহুবল উপজেলার ইজ্জতপুর গ্রামের মৃত আকরাম উদ্দিনের পুত্র। পুলিশ ও মামলা সূত্রে প্রকাশ, বাহুবল উপজেলার সাতকাপন ইউনিয়নের ইজ্জতপুর গ্রামের মঈন উদ্দিন নবীগঞ্জ করগাঁও ইউনিয়নের সাকুয়া গ্রামে মাওলানা আশরাফ আলীর মেয়ে সাইমা বেগমকে বিয়ে করে।

প্রথম বিয়ের কথা গোপন রেখে বিয়ের পর ২০১১ সালে সাইমা বেগমকে দুবাই নিয়ে যান প্রবাসী মঈন উদ্দিন। প্রবাসে থাকাকালীন তাদের ঔরসে ৩ সন্তানের জন্ম হয়। ২০১৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে হাফেজ মঈন উদ্দিন স্ত্রী সাইমা বেগমকে প্রলোভন দিয়ে বাচ্চাদেরসহ দেশে নিয়ে আসেন। এসময় সাইমা বেগমের পরিবারের নিকট যৌতুক হিসেবে ২ লাখ টাকা দাবি করেন। অন্যথায় তালাক দিয়ে তৃতীয় বিয়ের হুমকি দেন।

কিন্তু সাইমা বেগম যৌতুকের টাকা দিতে অপারগতা জানালে ঢাকায় তৃতীয় বিয়ে করেন মঈন উদ্দিন। এ ঘটনায় সাইমা বেগম হবিগঞ্জ নারী শিশু দমন ট্রাইব্যুনালে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করেন। বিজ্ঞ আদালত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য নবীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অফিসে দায়িত্ব দেন। তদন্ত করে কর্মকর্তা মঈন উদ্দিনের বিরুদ্ধে বাদীর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এই খবর পেয়ে প্রতারক মঈন উদ্দিন দুবাই পাড়ি জমায়।

এরই মধ্যে বিজ্ঞ আদালত ১৫/০২/২০১৭ তারিখে আসামি মঈন উদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করেন। সম্প্রতি মঈন উদ্দিন দেশে আসলে আত্মগোপনে থেকে হামিদ নগর মাদরাসাসংলগ্ন স্থানে নতুন বিল্ডিং নির্মাণ কাজ করেন। খবর পেয়ে মামলার বাদী সাইমা বেগম বাহুবল থানার পুলিশকে নিয়ে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেও তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ওদিকে, বাহুবল মডেল থানা পুলিশ তাকে আটকের জন্য বিমানবন্দরে রিকুয়েজিশন প্রেরণ করা হয়েছে।

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।