আজকের বার্তা | logo

৭ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং

বামনার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রমরমা কোচিং বাণিজ্য !

প্রকাশিত : মার্চ ৩১, ২০১৮, ০১:৪৪

বামনার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রমরমা কোচিং বাণিজ্য !

তরিকুল ইসলাম রতন, বামনা প্রতিনিধি ॥ সরকারি নীতিমালা উপো করে বরগুনার বামনা উপজেলার ২ নং লক্ষ্মীপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাইড বইসহ চলছে রমরমা কোচিং বাণিজ্য। সরেজমিনে গিয়ে বামনার লক্ষ্মীপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যলয়ের একাধিক শিার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোচিং বাণিজ্যের কারণে অধিকাংশ শিক কাসে পাঠদানে মনোযোগী না হয়ে কোচিংয়ে বেশি সময় ব্যয় করছেন। এতে দরিদ্র, মেধাবী ও পিছিয়ে পড়া শিার্থীরা বেশি তিগ্রস্ত হচ্ছে। কোচিং বাণিজ্যের কারণে অধিকাংশ পরিবারের উপর সৃষ্টি হচ্ছে বাড়তি আর্থিক চাপ। শিকদের কোচিং বাণিজ্যের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ছেন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বামনার লক্ষ্মীপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  আবদুস শহীদ সিকদার স্কুলে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কোচিং করিয়ে অতিরিক্ত আয় করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শিা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠানের শিকদের কোচিং বন্ধের নির্দেশনা দিলেও তা মানছেন না লক্ষ্মীপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। স্কুলে আলাদাভাবে বিশেষ কাস নেয়ার কথা থাকলেও তিনি তা না করে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। ওই বিদ্যালয়ের শিার্থীরা অভিযোগ করে বলে, ‘কোচিং না করলে বিষয়ভিত্তিকসহ আনুষাঙ্গিক ফি বাবদ জনপ্রতি মোটা অংকের অর্থ আদায় করা হচ্ছে। একারণে আমরা বাধ্য হয়ে কোচিং করতে আসি।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক জানান, ‘লেখাপড়ার মতো একটি পবিত্র বিষয়কে কিছু অসাধু শিক অপবিত্র করছেন। বিদ্যালয়ের শিকরা হলেন মানুষ গড়ার কারিগর। আমরা অভিভাবকরা শিক্ষকদের কাছে জিম্মি।’ এদিকে বামনার লক্ষ্মীপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সকল শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরকে গাইড বই কেনার জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন এবং গাইড বই কোম্পানির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের কমিশন নিচ্ছেন। এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুস শহীদ সিকদার বলেন, ‘অভিভাবকদের বলার কারণেই শিক্ষার্থীদের কোচিং করাচ্ছি।’ গাইড বই’র ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পরীক্ষায় সৃজনশীল প্রশ্ন থাকে যার উত্তর বোর্ডের বইতে থাকে না এজন্যই গাইড বই শিক্ষার্থীদের কেনানো হচ্ছে। গাইড বই কোম্পানি প্রতিবছর কিছু কমিশন দিলেও এবছর কোনো টাকা দেয়নি বলে জানান তিনি। জানা যায় গত ৮ মার্চ বামনা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত  শিা কর্মকর্তা নির্মল চন্দ্র শীল লক্ষ্মীপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন এবং তিনি এসব দুর্নীতির ব্যাপারে নিরবতা পালন করেন।

 

 

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।