আজকের বার্তা | logo

৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং

পটুয়াখালী স্থায়ী পল্লী ও পুঁজি সংকটে হতাশ শুঁটকি ব্যবসায়ীরা

প্রকাশিত : মার্চ ১৪, ২০১৮, ১৭:২৪

পটুয়াখালী স্থায়ী পল্লী ও পুঁজি সংকটে হতাশ শুঁটকি ব্যবসায়ীরা

কলাপাড়া পটুয়াখালী: ব্যাপক কর্মসংস্থান আর রাজস্ব আয়ের সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও দিন দিন কমে যাচ্ছে উপকূলীয় এলাকার শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকরণ। স্থায়ী শুঁটকি পল্লী, পুঁজি সংকট ও শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি না পাওয়ায় শুঁটকি তৈরিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট জেলে, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার চরাঞ্চলে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি অস্থায়ী শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকরণ পল্লী ও মার্কেট। এখানে কাঁচা মাছ কীটনাশক ছাড়াই রোদে শুকিয়ে প্রক্রিয়াজাতকরণ করে তৈরি করা হয় শুঁটকি। মৌসুমের শেষ সময়ে পল্লীগুলোতে ব্যস্ত সময় পার করেন জেলে, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা। অস্থায়ীভাবে গড়ে ওঠা এসব পল্লীতে প্রতিবছর বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১৫০ মেট্রিক টন মাছের শুঁটকি হয়। যা দেশের চাহিদা পূরণ করে রপ্তানি হয় বিদেশে। স্থানীয় বাজারে বারো মাস চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বর্ষা মৌসুমে মাছ শুকানো যায় না বলে প্রকৃতিনির্ভর এ ব্যবসা চলে কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত। তা ছাড়া শুঁটকির সঙ্গে জড়িত অধিকাংশ ব্যবসায়ীদের রয়েছে পুঁজি সংকট। পুঁজি বলতে তাদের রয়েছে এনজিওর লোন আর মহাজনদের কাছ থেকে আনা উচ্চ সুদের ঋণ। এনজিওর লোন ও মহাজনদের উচ্চ সুদ শোধ করে ব্যবসা চালানো তাদের পক্ষে কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তারপরও সংশ্লিষ্টরা চালিয়ে যেতে চান এ ব্যবসা। দীর্ঘদিনেও স্থায়ী শুঁটকি পল্লী গড়ে না ওঠায় হতাশ তারা।

শ্রমিকদের পারিশ্রমিক কম পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। ফলে দিন দিন কমছে শুঁটকি তৈরি। তবে উপকূলে স্থায়ী শুঁটকি পল্লী নির্মাণ, শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা এবং পুঁজি সংকটের স্থায়ী সমাধানে স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করলে, সরকারের রাজস্ব যেমনি বাড়বে; তেমনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে শুঁটকির সঙ্গে জড়িত সহস্রাধিক পরিবারের স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ ঘটবে। এমনটাই মনে করেন বিশিষ্টজনরা।

খুচরা বিক্রেতা ইলিয়াস বলেন, পর্যটন মৌসুমে শুঁটকির ব্যাপক চাহিদা থাকায় ব্যবসা ভালোই হয়। তবে বর্ষা মৌসুমে ব্যবসা তেমন ভালো চলে না। সরকার যদি স্থায়ী শুঁটকি পল্লী নির্মাণ করে তাহলে সারা বছর ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো।

কুয়াকাটার অস্থায়ী শুঁটকি পল্লী থেকে শুঁটকি কিনতে আসা পর্যটক ইব্রাহীম বলেন, এখানকার শুঁটকির গুণগত মান ভালো। কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানান, নিরাপদ ও মানসম্পন্ন শুঁটকি উৎপাদনের জন্য ইতোমধ্যে এ উপজেলার ৩০০ জন জেলেকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।