আজকের বার্তা | logo

৯ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং

চার উপজেলা ও তিন থানা নিয়ে চরফ্যাসনকে জেলা ঘোষণার দাবি

প্রকাশিত : মার্চ ১৯, ২০১৮, ২২:৫৫

চার উপজেলা ও তিন থানা নিয়ে চরফ্যাসনকে জেলা ঘোষণার দাবি

চরফ্যাসনের মানুষের অতি আপনজন এই প্রত্যন্ত জনপদের কিংবদন্তী পুরুষ, সমাজ সেবক, রাজনীতিবিদ, এ এলাকা থেকে দুই দুই বার নির্বাচিত সাবেক সাংসদ, লাখ লাখ জনতার প্রাণপ্রিয় ব্যক্তিত্ব, নিপীড়িত, নির্যাতিত, অবহেলিত মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের প্রানপুরুষ, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী, রাজনীতিবিদ, প্রাজ্ঞ জননেতা, প্রথিতযশা শিক্ষক, প্রাাক্তন জাতীয় সংসদ সদস্য চরফ্যসন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মিয়া মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম স্যারের জ্যেষ্ঠপুত্র আমাদের লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রতিনিধি।

বুদ্ধিদীপ্ত, সৌম্যদর্শন, শুধু বিপুল ভোটে বিজয়ী সাংসদই নয়, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অতি স্নেহের, একজন সফল নেতা, ডিজিটাল সাংসদ এবং পরিবেশ ও বন উপ-মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব’র নির্বাচনী আসন চরফ্যাসন উপজেলাকে জেলা ঘোষণার দাবী জানিয়েছেন চরফ্যাসন উপজেলার সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সকল শ্রেনীর মানুষ। ভৌগলিক অবস্থান ও জনসংখ্যা এবং পর্যটন শিল্পের গুরুত্ব বিবেচনা করে এ উপজেলাকে জেলা ঘোষণার জোন দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

দেশের সর্বদক্ষিণের চরফ্যাসন উপজেলা। চরফ্যাসন পূর্বে কখনো নোয়াখালী, কখনো বরিশাল আবার কখনো বা পটুয়াখালীর গলাচিপার সাথে সংযুক্ত ছিল। বর্তমানে চরফ্যাসন থানাটি ভৌগলিক অবস্থান কিন্তু পূর্বে এমন ছিল না। এ চরফ্যাসন ছিল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অসংখ্য চর। ঠিক তখনই বরিশালের জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট এইচ. জে. এইচ ফ্যাসন সাহেব ১৮৮৫-৮৭ সালের দিকে প্রশাসনিক ভাবে এ অঞ্চলের চরগুলির প্রতি দৃষ্টি দেন এবং এলাকার প্রান কেন্দ্র বর্তমান চরফ্যাসন বাজারটি গঠন করেন। মিঃ ডোনাবানের পরিকল্পনা অনুসারে প্রস্তাবিত এ বাজারের নাম রাখা হয় চরফ্যাসন বাজার। পরবর্তীতে এলাকার একমাত্র প্রানকেন্দ্র চরফ্যাসন বাজারের নাম অনুসারে গোটা এলাকার নাম করন করা হয় চরফ্যাসন। তিনি চরফ্যাসনের উন্নতির জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন।

চরফ্যাসন উপজেলায় উন্নীত হওয়ার ধারাবাহিক পর্যাক্রম : চরফ্যাসন উপজেলা আয়তনের দিক থেকে কত বড় তা দেশের নেতৃবৃন্দের অনেকেই জানেন না। শুধু আয়তনই নয়, লোক সংখ্যার দিক থেকেও বাংলাদেশের অনেক জেলার লোক সংখ্যা চেয়ে বেশি। ১৯৬৮ ইং সালে গঠিত হয় চরফ্যাসন থানা। ১৯৮২ সালের ১৫ ডিসেম্বর চরফ্যাসন থানাকে মান উন্নীত করা হয়। মান উন্নিত থানা/উপজেলার প্রথম উপজেলা নির্বাহি অফিসার জনাব বিনয় কৃষ্ণ কর্মকার। তিনি চরফ্যাসন উপজেলাকে সুন্দর ভাবে গড়ে তোলার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। চরফ্যাসন উপজেলায় বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন কর্মকান্ড ছাড়াও বিভিন্ন এন. জি. ও সংস্থাও উন্নয়নের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছেন।

এক নজরে চরফ্যাসন উপজেলা:
উপজেলার নাম : চরফ্যাসন।
জেলার নাম : ভোলা।
উপজেলার আয়তন : ১,৪৪০ .০৪ বর্গ কিলোমিটার।
লোকসংখ্যা : ৪,৫৬,৪৩৭ জন (সর্ব শেষ আদমশুমারী অনুযায়ী)।
২০০১ সাল অনুযায়ী ভোটার সংখ্যা : ২,৪৬,২১৬ জন।
২০০৬ সাল অনুযায়ী ভোটার সংখ্যা : ২,৮৮,৮৯৯ জন।
২০০৯ সাল অনুযাযী ভোটার সংখ্যা : ২,৫৩,২৮৪ জন।
পৌরসভার সংখ্যা : ০১ টি।
থানা : ৪টি।
ইউনিয়নের সংখ্যা : ২১ টি।
উপজেলা সদর হতে জেলা সদরের দুরত্ব : ৭০ কিলোমিটার।
উপজেলার অভ্যমত্মরিণ যোগাযোগ ব্যবস্থা : রিক্সা, মোটর গাড়ী, হোন্ডা, টেক্সি, কার ও নৌযান।
গ্রামের সংখ্যা : ১৯৯ টি।
মৌজার সংখ্যা : ১১৫ টি।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ
ক. সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় : ১৮৭ টি।
খ. বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় : ১৫ টি।
গ. রেজিষ্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় : ১১২ টি।
ঘ. এনজিও পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয় : ২৬০ টি।
ঙ. কেজি স্কুল : ২১টি।
চ. নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ২৭ টি (বালক ১৮+বালিকা ৯)।
ছ. মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ৩৮ টি (বালক ৩৫+বালিকা ৩)।
জ. কলেজ : ০৯ টি (মহিলা ২ + ডিগ্রী – ৪)। সরকারি ০১ টি (চরফ্যাসন সরকারি অনার্স কলেজ)।
ঝ. আলীম মাদ্রাসা : ০৮ টি (মহিলা – ০১টি)।
ঞ. ফাজিল মাদ্রাসা : ০৮ টি।
ট. কামিল মাদ্রাসা : ০২ টি (মহিলা – ০১টি)।
ঠ. দাখিল মাদ্রাসা : ৫২ টি (মহিলা – ০১টি)।
ড. কারিগরি মহাবিদ্যালয় : নাই।
ঢ. এবতেদায়ী মাদ্রাসা : ১১৮ টি।
ণ. দাখিল মাদ্রাসা : ৫২ টি।
ত. টেকনিক্যাল ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজঃ ০২ টি।

এমপিও ভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:
১. কলেজ : ০৬ টি।
২. মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ৩২ টি।
৩. নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ২২ টি।
৪. কামিল মাদ্রাসা : ০১ টি।
৫. ফাজিল মাদ্রাসা : ০৭ টি।
৬. আলিম মাদ্রাসা : ০৩ টি।
৭. দাখিল মাদ্রাসা : ৪১টি।

চরফ্যাসন-মনপুরায় বর্তমান সরকারের উন্নয়ন:
চরফ্যাসন – মনপুরায় ভোলা-৪ সংসদ সদস্য ও উপ-মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব ৯ বছরে মেঘনার ভাঙ্গন রোধে চরফ্যাসন -মনপুরা শহর রক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ, চরফ্যাসনে দক্ষিন এশিয়ার সর্বোচ্চ “জ্যাকব টাওয়ার” নির্মান। ইকোপার্ক প্রকল্প গ্রহনের মাধ্যমে কুকরী মুকরীতে আধুনিক অবকাশ যাপন কেন্দ্র নির্মান।

এ কেন্দ্রের সাথে হেলিপ্যাড, সুইমিংপুল এবং গলপ মাঠ সংযুক্ত করন এবং দুটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র উদ্ভোধন, চরফ্যাসন – মনপুরায় ৭’শ কিলোমিটার পাকা সড়ক নির্মানের মাধ্যমে আধুনিক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক অন্তভুক্ত করন, চরফ্যাসন পৌরসভার প্রান কেন্দ্রে দৃষ্টিনন্দন ফ্যাসন স্কয়ার নির্মান, চরফ্যাসনে শিশু পার্ক নির্মান, চরফ্যাসনে শহীদ মিনার ও স্মৃতিসৌধ নির্মান, চরফ্যাসন কলেজ সরকারিকরন যা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে চরফ্যাসন ও মনপুরার প্রথম সরকারি প্রতিষ্ঠন, মনপুরা কলেজ সরকারি করন প্রক্রিয়া চুড়ান্ত করন, উচ্চ শিক্ষার প্রসারে চরফ্যাসন সরকারি কলেজে ৫ টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু করন, চরফ্যাসনে ভোলা জেলার একমাত্র অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম বি এড কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং একাডেমিক ভবনসহ অবকাঠামো নির্মান।

তৃনমূল পর্যায়ে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ তৈরি করার জন্য চেয়ারম্যান বাজার অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম কলেজ, শশীভূশণে বেগম রহিমা ইসলাম কলেজ, ওসমানগঞ্জে আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব কলেজ, দুলার হাটে নীলিমা জ্যাকব মহিলা কলেজ এবং মনপুরার সাকুচিয়ায় আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব কলেজ প্রতিষ্ঠা, চরফ্যাসনে শশীভূষণ, দুলারহাট ও দক্ষিন আইচা নামে ২ টি নতুন থানা গঠন এর দুটি নতুন থানা ভবন নির্মাণ, জনগনের নিরাপত্তা ও নৌ-ডাকাতি রোধের লক্ষে চরফ্যাসনের ঢালচর ও কুকরী- মুকরী এবং মনপুরার কলা তলীর চড়ে ৩ টি পূলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপন ও তদন্ত কেন্দ্রের ভবন নির্মান। এবং ঢালচরে কোষ্টগার্ডের আঞ্চলিক অফিস অনুমোদন, মুজিবনগর, নজরুল নগর, ঢালচর, আবদুল্লাহপুর, ওমরপুর, আহাম্মদপুর, আবুবকরপুর এবং দক্ষিণ সাকুচিয়া নামে ৮টি ইউনিয়ন গঠন এবং ১৫ টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডিভিশন -২ ভোলা হইতে চরফ্যাসনে স্থানান্তর চরফ্যাসন পৌরসভাকে প্রথম শ্রেনীতে উন্নীতকরন ও আধুনিকায়নে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন, দেওয়ানী ফৌজদারি এবং যুগ্ম জেলা জজকোর্ট চরফ্যাসনে স্থানান্তর (যুগ্ম জেলা জজ কোর্ট বাংলাদেশে উপজেলা পর্যায়ে দ্বিতীয়) সম্প্রতি মনপুরায়ও দেওয়ানী আদালত অনুমোদন।

বর্তমান সরকারের আমলে শুধুমাত্র উপজেলা পর্যায়ে নির্বাহী আদালত চরফ্যাসনে (১০৭ ধারা) স্থানান্তর, বিনা খরচে ১টি কলেজ ৩টি মাদ্রাসা ও ৫টি মাধ্যমিক নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহ মোট ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এম পিও ভুক্ত করন, বিনা খরচে সরকারি বে-সরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, পৌরসভা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহস্রাধিক শিক্ষিত বেকারদের চাকুরীর মাধ্যমে পুনঃবাসন, মনপুরায় ১ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ প্লান স্থাপন, পি ডি বি ও পল্লী বিদ্যুতের সাড়ে ৪’শ কিঃ মিঃ লাইন এবং শশীভূষণ ও চরফ্যাসনে ৫ মেঘাওয়াট ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি সাবস্টেশন স্থাপন।

চরফ্যাসন কারামাতিয়া কামিল মাদ্রাসায় কামিল পরিক্ষা কেন্দ্র, ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজে ডিগ্রি পরিক্ষা কেন্দ্র, করিমজান মহিলা মাদ্রাসায় ফাজিল পরিক্ষা কেন্দ্র, চরফ্যাসন সরকারি কলেজে বি এড পরিক্ষা কেন্দ্র, শশীভূষনে এস এস সি ও এইচ এস সি পরিক্ষা কেন্দ্র, দুলার হাট এস এস সি কেন্দ্র, দক্ষিণ আইচা, দুলার হাট ও শশীভূষন জে এস সি, জে ডি সি ও দাখিল পরিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন, চরফ্যাসনের হাজার হাজার ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষের প্রানের দাবী চরফ্যাসন (বেতুয়া) ঢাকা রুটে লঞ্চ চালু করে ঐতিহাসিক যোগাযোগ স্থাপন, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম ফাউন্ডেশন ও অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম ইনিস্টিটিউট অব টেকনোলজি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনে সহায়তা প্রদান।

চরফ্যাসন মনপুরা শহর সংরক্ষণ ও বেতুয়া লঞ্চ ঘাট সংরক্ষণ প্রকল্পের কাজ চলমান, মায়া নদীর উপর ভোলা জেলার সর্ববৃহৎ ব্রীজ নির্মান, কলমী সুলতানের খেয়াঘাটে ভোলা জেলার ২য় বৃহত্তম ব্রীজ নির্মান, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম কলেজ ও বেগম রহিমা ইসলাম কলেজের দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মান, মনপুরায় ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ভবন এবং সংলগ্ন কোয়াটার ভবন নির্মান, চরফ্যাসন মনপুরা শশীভূষণ, দক্ষিণ আইচায় চার তলা ৪টি সাব রেজিস্ট্রি অফিস ভবন নির্মাণ।

চরফ্যাসনবাসীর দাবী লালমোহন থেকে তজুমদ্দিন, মনপুরা, ঢাল চর, কুকরি-মুকরি, লালমোহম-দক্ষিণ আইচা সড়ক পথের মধ্যবর্তী স্থান চরফ্যাসন। এ সকল দিক বিবেচনা করলে চরফ্যাসন উপজেলাকে জেলা বাস্তবায়নের দাবি রাখে। এ ছাড়াও ভৌগলিক দিক থেকে বিবেচনা করলেও চরফ্যাসন জেলা হওয়ার দাবি রাখে।

চরফ্যাসনের শশীভূষণ, দক্ষিণ আইচা, দুলারহাট থানা ও লালমোহন- তজুমদ্দিন উপজেলার মানুষের সড়কপথে এবং নৌপথে মনপুরার সাথে যোগাযোগের মাধ্যম চরফ্যাসন। চরফ্যাসনের রজনীাতবিদ ও সুশীল সমাজ মনে করেন এখন সময় এসেছে চরফ্যাসন- লালমোহন- তজুমদ্দিন উপজেলা ও শশীভূষণ, দক্ষিণ আইচা, দুলারহাট থানা নিয়ে চরফ্যাসন কে জেলা বাস্তায়নের জন্য গণমানুষকে সোচ্চার হওয়ার।

২০০১ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিন বদলের আহবানে সারা দিয়ে চরফ্যাসন-মনপুরা আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে জয়লাভ করেছিলেন পরিবেশ ও বন উপ-মন্ত্রী আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি। চরফ্যাসনের আপামার জনসাধারনের দাবী মহামান্য রাষ্ট্রপতি আগামি ১৬ জানুয়ারি চরফ্যাসনে তার সংক্ষিপ্ত সফরে চরফ্যাসন উপজেলাকে জেলা ঘোষণার বিষয়টি সদয় বিবেচনা করবেন।

চরফ্যাসন প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রভাষক আবুল হাসেম মহাজন জানান, চরফ্যাসনকে জেলা করার লক্ষ্যে পরিবেশ ও বন উপ-মন্ত্রী আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি ৫০ কোটি টাকা ব্যায়ে ১৫ তলা বিশিষ্ট ২৫০ মিটার উচ্চতায় এশিযার সর্বোচ্ছ ওয়াচ টাওয়ার (বর্তমান নাম জ্যাকব টাওয়ার), মানব সৃষ্ঠ সুন্দর বন খ্যাত চরকুকরী মুকরীকে ইকো পার্ক হিসেবে ঘোষণা করার পর সেখানে ১০ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মাণ করা হয়েছে থ্রি ষ্টার হোটেল সহ আনেক উন্নয়ন করেছেন। এসক দিক বিবেচনা করে চরফ্যাসন জেলা হওযার দাবি রাখে।

চরফ্যাসন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মনির আহমেদ শুভ্র জানান, ধারনা করা হচ্ছে নতুন ৩টি থানাকে উপজেলায় রুপান্তরিত করাসহ লালমোহন, তজুমদ্দিন ও মনপুরা উপজেলা নিয়ে মোট ৭ উপজেলায় রুপান্তরিত হবে চরফ্যাসন জেলা।

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।