আজকের বার্তা | logo

২৯শে কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৩ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং

কেউ অঝোরে, কেউ কেঁদেছেন নীরবে

প্রকাশিত : মার্চ ১৯, ২০১৮, ২২:৩৮

কেউ অঝোরে, কেউ কেঁদেছেন নীরবে

তামারা প্রিয়ন্ময়ী। প্রিয়ক-অ্যানি দম্পতির একমাত্র সন্তান। বাবা-মায়ের সঙ্গে আকাশে উড়ে বেড়াতে গিয়ে আর ফেরেনি তিন বছরের শিশুটি। বিমান বিধ্বস্ত হয়ে বাবার সঙ্গে শিশুটিও মারা যায়। নেপালের কাঠমাণ্ডু ইউএস-বাংলা বিমান ট্র্যাজেডিতে প্রাণে বেঁচে যায় শিশুটির মা অ্যানি।

নেপালের ওই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় হতাহতদের সহযোগিতায় এগিয়ে যান ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ছয় চিকিৎসক। তাদের একজন
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক হাসান ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, নেপালে যাওয়ার পর এত মরদেহ দেখেছি আমরা। অথচ ছোট্ট ওই শিশুটির লাশ যখন সামনে আনা হয় আমরা কেউই নিজেদের আবেগ সংবরণ করতে পারিনি। সবার চোখের কোণ ভিজে উঠেছিল কান্নায়। কেউ অঝোরে, কেউ কেঁদেছেন নীরবে।

ওদিকে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার জৈনা বাজার এলাকার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ঘেঁষা প্রিয়ন্ময়ীদের দোতলা বাড়িটিতে আজ সাতদিন ধরে এক রকম খাঁ খাঁ পরিবেশ। ১২ মার্চ নেপাল ভ্রমণের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগ পর্যন্ত পুরো বাড়ি জুড়েই ছিল প্রিয়ন্ময়ীর বিচরণ। বাড়িটির নিচ তলা থেকে উপর তলা পর্যন্ত মাতিয়ে রাখতো সে।

প্রিয়ন্ময়ীর মা আলিমুন নাহার বিকেলে শ্রীপুরের গ্রামের বাড়ি নগরহাওলায় পৌঁছান তিনি। সেখানে তাকে তার স্বামী এফএইচ প্রিয়ক ও মেয়ে তামাররা প্রিয়ন্ময়ীর মৃত্যু সংবাদ দেওয়া হয়। তবে তিনি কিছুতেই তা বিশ্বাস করতে চাইছেন না। অ্যানি বলছেন, আপনারা মিথ্যা বলছেন। ওরা আছে। না হলে তাদের দেখান।

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।