আজকের বার্তা | logo

৬ই আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২০শে জুন, ২০১৮ ইং

কলাপাড়ায় অর্ধশতাধিক অবৈধ স’মিলে চলছে গাছ চেরাই 

প্রকাশিত : মার্চ ০২, ২০১৮, ০০:৩২

কলাপাড়ায় অর্ধশতাধিক অবৈধ স’মিলে চলছে গাছ চেরাই 

মেজবাহউদ্দিন মাননু, কলাপাড়া প্রতিনিধি \ কলাপাড়ায় ৫৫ টিরও বেশি স’মিলে ফ্রি-স্টাইলে চেরাই হচ্ছে সংরÿিত বনাঞ্চলসহ সব ধরনের গাছ। সকল নিয়ম-কানুন উপেÿা করে লাইসেন্সবিহীন অন্তত ৫০টি স’মিলে বৈধ-অবৈধ কাঠ চেরাইয়ের কাজ চলছে। সমৃদ্ধ পর্যটনসহ সাগরপাড়ের জনপদ কলাপাড়ায় এ কারণে বনাঞ্চল উজাড় হয়ে যাচ্ছে। বনবিভাগের দৃশ্যমান কোনো নিয়ন্ত্রণ না থাকায় যে যার মতো করে যত্রতত্র স’মিল স্থাপন করছেন। অর্ধশতাধিক স’মিলের মধ্যে ক’টির লাইসেন্স রয়েছে তার কোনো হিসাব খোদ বনবিভাগের কাছে পাওয়া যায়নি। এমনকি কয়টি স’মিল রয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যানও জানাতে পারেনি বনবিভাগ কর্তৃপÿ। যেন চরম অরাজক পরিস্থিতি চলছে সেক্টরটিতে। আর এই সুযোগে স’মিল স্থাপন করে দেদারছে বৈধ-অবৈধ গাছ চেরাইয়ের কাজ চলছে। অবস্থা এমন হয়েছে যে জাতীয় উদ্যানসহ কুয়াকাটা, গঙ্গামতি খাজুরা এলাকায় সংরÿিত বনাঞ্চলের আশেপাশেও বসানো হয়েছে স’মিল। নিয়ম রয়েছে সংরÿিত বনাঞ্চলের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে কোন স’মিল বসানো যাবে না। কিন্তু কে শোনে কার কথা। কোনো কাগজপত্র নেই। কেউ কেউ আবার সরকারি খাস জমিতে এসব স’মিল স্থাপন করেছেন। যার কারণে উপকূলের সবুজ দেয়ালখ্যাত সংরÿিত বনাঞ্চল এখন বিরানভূমিতে পরিণত হয়ে গেছে। এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। কলাপাড়া ও মহিপুর দুইটি রেঞ্জের অধীন কয়টি স’মিল রয়েছে তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান এই দুই রেঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানাতে পারেননি। জানাতে পারেননি কয়টির বৈধতা রয়েছে তাও। তবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের দেয়া তথ্য মতে, টিয়াখালীতে ৩টি, চম্পাপুরে ৫টি, চাকামইয়ায় ২টি, ধানখালীতে ৪টি, লতাচাপলীতে ৫টি, মহিপুরে ৪টি, বালিয়াতলীতে ৬টি, ডালবুগঞ্জে ৫টি, ধুলাসারে ৩টি, লালুয়ায় ৫টি স’মিল রয়েছে। এছাড়া কলাপাড়া পৌরশহরে ১৩টি এবং কুয়াকাটা পৌরসভায় কয়েকটি স’মিল রয়েছে। এসব স’মিলে বনবিভাগসহ অপরিণত বয়সী গাছ ফ্রি-স্টাইলে চেরাই চলে দিন-রাত। ফলে উপকূলীয় দুর্যোগের গ্রাসে থাকা জনপদ কলাপাড়ার মানুষকে দুর্যোগকালীন ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। অবস্থা এমন হয়েছে যে, উপজেলা বন ও পরিবেশ বিষয়ক কমিটির প্রায় ১ বছর ধরে কোনো মিটিং পর্যন্ত হয়নি। বন ও পরিবেশ কমিটির সদস্য ও শিÿক শাহিদা পরভীন জানান, প্রায় দেড় বছর এ কমিটির কোনো হয় না। সভা হলে এ সকল সমস্যা সমাধানকল্পে ব্যবস্থা নেয়া যেত। এ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তানভীর রহমান জানান, শীঘ্রই সভা আহŸান করার জন্য বনবিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বলা হবে। তখন এ সংক্রান্ত সকল অনিয়ম রোধে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্রয়োজনবোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হবে।

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।