আজকের বার্তা | logo

১২ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২৫শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং

অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুকে পুলিশ কর্মকতার লাথি

প্রকাশিত : মার্চ ২৩, ২০১৮, ১০:৫৯

অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুকে পুলিশ কর্মকতার লাথি

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের খুড়ারগাঁতী গ্রামের দিনমজুর রাজ-মিস্ত্রী খাইরুল ইসলামের নামে কোন মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়াই ধরতে যাওয়ায় তার ৮ মাসের অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রী রেখা খাতুন বাধা দিলে তাকে পেটে লাথি ও মারপিটের অভিযোগ উঠেছে সিরাজগঞ্জ সদর থানার এস.আই গোলাম মোস্তফা ও এ.এস.আই কুতুবের বিরুদ্ধে।

বৃস্পতিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায, বাগবাটি ইউনিয়নের খুড়ারগাঁতী গ্রামের আক্তার হোসেনের ছেলে বেলাল হোসেন ও আক্তারের সাথে একই ইউনিয়নের পানিয়াবাড়ী গ্রামের আসতাহারের ছেলে গোলাম মওলার সাথে বিরোধ ছিলো। এরই জের ধরে গত বুধবার দুপুরে খুড়ারগাঁতী গ্রামে সিরাজগঞ্জ সদর থানার এস.আই গোলাম মোস্তফা ও এ.এস.আই কুতুব এর পক্ষে ১০/১২ জন পুলিশের কনস্টেবল খাইরুল ইসলামের বাড়িতে প্রবেশ করে। তাকে আটক করতে তার স্ত্রী বাধা দিলে তাকে পেটে লাথি মারলে সে অসুস্থ হয় পড়ে। পর দিন বৃহস্পতিবার তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের খুড়ারগাঁতী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা নির্যাতিত ৮ মাসের অন্ত:সত্ত্বা রেখা খাতুনকে মমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে অন্ত:সত্ত্বা রেখা খাতুন হাসপাতালের ২য় তলার ২নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আহত রেখা খাতুন জানান, এস.আই গোলাম মোস্তফা আমার শশুর বাড়ী আসে। পরে বাড়ীর সবাইকে বের হয়ে যেতে বলে। সবাই বাহিরে গেলে আমার স্বামী রাজ মিস্ত্রী খাইরুল ইসলামের হাতে হানক্যাপ লাগানোর চেষ্টা করলে আমি বাধা দিলে পুলিশ আমার অন্তঃসত্ত্বা দেখেও তল পেটে লাথি মারে খাইরুলকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে আমি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

এদিকে সংবাদ পেয়ে সাংবাদিকরা হাসপাতালে গেলে রেখা খাতুন কান্না জড়িত কন্ঠে পুলিশের নির্মম নির্যাতনের কথা বলেন রেখা। এ সময় এক সিনিয়র নার্স বলেন, বর্তমানে রেখার অতিরিক্ত রক্তক্ষরন হচ্ছে। এখনো আশংকা মুক্ত না বলে জানালেন এই নার্স।

এ ব্যাপারে সদর থানার এস.আই গোলাম মোস্তফার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান, খাইরুল ইসলামকে ধরার সময় তার স্ত্রী বাধা দিলে একটু ধস্তা-ধস্তি হয়। এর বেশি আমি বলতে পারবো না ওসি সাহেব সব জানেন এই বলে তিনি ফোন রেখে দেন।

এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দাউদ হোসেন জানান, এই ঘটনাটি আমার জানা নেই। তবে একটি মারামারির মামলায় খায়রুলকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে বলে জানান ওসি।

এদিকে ভুক্তভোগির দেবর মহরম আলীসহ এলাকার সচেতন ব্যক্তিরা বলছে নতুন ওসির মন জয় করতে এধরনের অশালিন ব্যবহার করছে সদর থানার কিছু পুলিশ।

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।