আজকের বার্তা | logo

১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৪ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং

অধ্যাপক ডা: এ কে আজাদ খান আলোকিত জীবনের অধিকারী

প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮, ০০:৪৩

অধ্যাপক ডা: এ কে আজাদ খান আলোকিত জীবনের অধিকারী

ঢাকা থেকে কাজী বাবুল ॥ অধ্যাপক ডা: এ কে আজাদ খান একজন মহৎ পেশার মানুষ। সততায় আলোকিত জীবনের অধিকারী। ডায়াবেটিস সাস্ত্রের গবেষক এবং চিকিৎসায় যুগান্তকারী অবদান রেখে চলছেন তিনি। শুধু বাংলাদেশেই নয় বিদেশেও তিনি ব্যাপক সমাদৃত। এদেশে ডায়াবেটিস স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ ও ডায়াবেটিস ও অসংক্রামক রোগ সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টির েেত্র অধ্যাপক এ কে আজাদ খান অসামান্য কৃতিত্ব দেখিয়ে চলছেন। অধ্যাপক এ কে আজাদ খান ১৯৪১ সালের ২ মে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।  তিনি  সেন্ট আলফ্রেড উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৯৫৮ সালে অঙ্ক এবং ভূগোলে লেটার মার্কস পেয়ে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন এবং  ১৯৬০ সালে ঢাকা কলেজ থেকে বিজ্ঞান শাখায় প্রথম বিভাগে পাস করেন। ১৯৬৫ সালে ফার্মাকোলজি এবং ফরেনসিক মেডিসিন-এ অনার্স ডিগ্রিপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন।  ১৯৭০ সালে এফসিপিএস-এ ( পাকিস্তান) প্রথম স্থান অধিকার করার জন্য কর্নেল জাফরী গোল্ড মেডেলে ভূষিত হন। ১৯৭৭ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. ফিল ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। অধ্যাপক আজাদ খানের প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- আপনার স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও উন্নতি, রোগের নাম ডায়াবেটিস, পেপটিক আলসারের কথা, জন্ডিস, হজের বিধান ও হজ-সফরে স্বাস্থ্যবিধি,  ডায়াবেটিস চিকিৎসায় গাছ-গাছড়ার ব্যবহার, স্বাস্থ্যসেবা ও নৈতিকতা। এ ছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় রিসার্চ জার্নালে এখন পর্যন্ত ১২৫ টির বেশি সায়েন্টিফিক পেপার প্রকাশিত হয়েছে। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বারডেমে নিবন্ধিত ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা ছিলো প্রায় ১ লাখ। ঢাকার বাইরে ডায়াবেটিস সেবা দেয়ার জন্য বিভিন্ন জেলায় ছিলো ১৯টি অধিভুক্ত সমিতি। কিন্তু বাংলাদেশে ডায়াবেটিক রোগীদের তুলনায় এই সেবা কার্যক্রম ছিলো খুবই অপ্রতুল। তাছাড়া, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। এ অবস্থায় ক্রমবর্ধমান ডায়াবেটিক রোগীদের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার ব্রতই গ্রহণ করলেন তিনি। বর্তমানে বাংলাদেশে ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা প্রায় ৮৪ লাখ। দেশব্যাপী তাই ডায়াবেটিস স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো এবং একইসঙ্গে ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির দিকেই মনোনিবেশ করেছেন তিনি। তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় দেশব্যাপী ডায়াবেটিস-সেবা সম্প্রসারণে গত দুই দশকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সারা দেশে অধিভুক্ত সমিতির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৯টিতে। তাঁর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হেলথকেয়ার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এইচসিডিপি) ও ন্যাশনাল হেলথকেয়ার নেটওয়ার্ক (এনএইচএন)-এর মাধ্যমে রাজধানী ও এর আশেপাশের জেলাগুলোতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২৮টি ডায়াবেটিস স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। এমনকি উপজেলা পর্যায়ে ডায়াবেটিস সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে ৫০ জন জেনারেল ফিজিশিয়ান (জিপি)-কে অ্যাক্রিডিটেশন দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ২৩ লাখ ডায়াবেটিক রোগীকে সমিতির অধীনে নিবন্ধনের মাধ্যমে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। অর্থাৎ তাঁর অকান্ত প্রচেষ্টায় প্রায় ৩০% ডায়াবেটিক রোগীকে সমিতির চিকিৎসা-সেবার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। বাকিদেরও সেবার আওতায় আনার জন্য তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন অঞ্চলে প্র্যাকটিসরত জেনারেল ফিজিশিয়ানরা যাতে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে ডায়াবেটিস-সেবা দিতে পারেন সেজন্য ৭ হাজারেরও বেশি চিকিৎসককে প্রশিণ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ডায়াবেটিস সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টিতেও বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছেন। এ কাজে তিনি চষে বেড়িয়েছেন দেশের আনাচে-কানাচে। নেতৃত্ব দিয়েছেন অসংখ্য সচেতনতামূলক র‌্যালি ও শোভাযাত্রায়। বক্তব্য রেখে চলেছেন অসংখ্য সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে। তাঁর উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে ডায়াবেটিস সম্পর্কে বিশ্বের প্রথম সচেতনতামূলক পূর্ণ দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দুই বেয়াইয়ের কীর্তি’। তাঁর উদ্যোগে বাংলাদেশের জন্য উপযোগী একটি স্বাস্থ্যনীতির খসড়াও সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বর্তমান সরকারের সদয় বিবেচনাধীন রয়েছে। অধ্যাপক এ কে আজাদ খানের কর্মকা- দেশ ছাপিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও। গত বছর বিশ্বখ্যাত স্বাস্থ্যবিষয়ক জার্নাল ‘ল্যানসেট’ তাঁকে সম্মানিত করে তাঁর একটি প্রোফাইল প্রকাশের মাধ্যমে। সেখানে তাঁর ভূমিকার প্রশংসা করে বলা হয়: ’টঢ়ড়হ ৎবঃঁৎহরহম ঃড় ইধহমষধফবংয রহ ঃযব ষধঃব ১৯৭০’ং, কযধহ ধহঃরপরঢ়ধঃবফ ঃযব ঢ়ড়ঃবহঃরধষ ড়ভ ধ হড়হ-পড়সসঁহরপধনষব ফরংবধংবং (ঘঈউ) সড়াবসবহঃ রহ যরং যড়সব পড়ঁহঃৎু.’ স্বাস্থ্য-জনশক্তি সৃষ্টির েেত্রও রয়েছে তাঁর অনন্য ভূমিকা। তাঁর বিশেষ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বারডেম একাডেমি, ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্স, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্স, বারডেম নার্সিং কলেজ প্রভৃতি। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রাজুয়েট ও পোস্ট গ্রাজুয়েট পর্যায়ের স্বাস্থ্য-জনশক্তি সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। ২০০৭ সাল থেকে সারা বিশ্বে ‘বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস’ পালিত হচ্ছে জাতিসংঘের স্বীকৃত একটি দিবস হিসেবে। বাংলাদেশের জন্য এটা অত্যন্ত গৌরবের। অধ্যাপক এ কে আজাদ খানের বিশেষ উদ্যোগে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির অনুরোধে বাংলাদেশ সরকার ১৪ নভেম্বর ‘বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস’ পালনের জন্য জাতিসংঘে প্রস্তাব করে। ২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর জাতিসংঘে এ প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় (ইউএন রেজ্যুলেশন ৬১/২২৫)। শুধু ডায়াবেটিস-সেবাই নয়, সমিতিকে তিনি রূপান্তরিত করেছেন সকল রোগের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে। তাঁর প্রচেষ্টায় বারডেম রূপান্তরিত হয়েছে একটি উন্নত মানের জেনারেল হাসপাতালে। বারডেম, বারডেম-২, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল-এর কথা বিবেচনায় নিলে তাঁর উদ্যোগ ও সরকারের সহায়তায় বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি এখন পরিণত হয়েছে সরকারের পর সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে। শুধু তাই নয়, তাঁর নেতৃত্বে সমিতিতে এক শত’রও বেশি সফল কিডনি প্রতিস্থাপন ও দুটি সফল লিভার প্রতিস্থাপনও সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়াও বাংলাদেশে গ্যাস্ট্রো-এন্টারোলজি স্বাস্থ্যসেবারও প্রবর্তক তিনি। এ দেশে ‘এন্ডোস্কপিক’ সেবারও তিনি পথপ্রদর্শক। মাইক্রো হেলথ ইনস্যুরেন্সের মাধ্যমে শিল্প-কারখানার কর্মকর্তা- কর্মচারীদের ছাড়াও সাধারণ মানুষেরও মাইক্রো-ইনস্যুরেন্সের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন অধ্যাপক এ কে আজাদ। তবে তাঁর বিশেষ কৃতিত্ব বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ে ডায়াবেটিস-সেবা সম্প্রসারণের েেত্র, এ দেশে ডায়াবেটিস সম্পর্কে গণজাগরণ সৃষ্টির েেত্র, দরিদ্র ডায়াবেটিক রোগীদের পুনর্বাসনের েেত্র। তাঁর ধ্যান-ধারণা, তাঁর অনেক কার্যপদ্ধতি আজ সমাদৃত সারা বিশ্বেই। আর তার স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠান থেকে লাভ করেছেন সম্মানসূচক ডিগ্রি ও সম্মাননা। চিকিৎসাসেবা এবং সমাজসেবায় অবদান রাখার জন্য মওলানা আকরাম খান গোল্ড মেডেল, শের-ই-বাংলা অ্যাওয়ার্ড, নিপা ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড, অনরি বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা, নবাব স্যার সলিমুল্লাহ গোল্ড মেডেল, হেলথ্ অ্যাওয়ার্ড, ডাঃ ইব্রাহিম গোল্ড মেডেল, পাবলিক হেলথ্ অ্যাওয়ার্ড, আমিন জুয়েলার্স লিঃ গোল্ড মেডেল, স্বাস্থ্যসেবায় অবদানের জন্য মার্কেন্টাইল ব্যাংক পুরস্কার এবং ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশনের (আইডিএফ)  এর গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড সম্মানয়ায় ভূষিত হয়েছে। এ কথা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, ডায়াবেটিস স্বাস্থ্যসেবায় শুধু বাংলাদেশ নয়, অধ্যাপক এ কে আজাদ খান কার্যত নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন পুরো উপমহাদেশকেই। সত্তরোর্ধ্ব বছর বয়সেও তিনি একজন সদ্য তরুণের মতোই একটি গণমুখী ও কল্যাণকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজে নিরলস, মানবসেবায় অকান্ত; ডায়াবেটিসকে পরাজিত করার জন্য সংকল্পবদ্ধ একমাত্র সৈনিক।

অজপাড়াগাঁয়ে জন্ম: বাংলাদেশের এক অজপাড়াগাঁয়ে জন্ম অধ্যাপক ডা: এ কে আজাদ খানের। ভালো চিকিৎসার সুবিধা গ্রামে তেমন ছিল না। মনে মনে তাই তিনি ভাবতেন, যদি কখনো সুযোগ পান মানুষের সেবা করবেন। নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান ছিলেন তিনি। তিন ভাই ও তিন বোন তাঁর। বাবার নাম ফজলুর রহমান খান। মা-বাবা সৎ মানুষ ছিলেন। তিনি লেখাপড়া করেছেন মিশনারি স্কুলে, সেন্ট আলফ্রেড উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। লেখাপড়া সেখানে খুব উচ্চমানের ছিল তা নয়, তবে চরিত্র গঠনের ওপর ওখানে বিশেষ জোর দেওয়া হতো। সেখান থেকে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর ঢাকা কলেজে ভর্তি হন।

মুখস্থবিদ্যা কম: ঢাকা কলেজে পড়ার সময় অধ্যাপক ডা: এ কে আজাদ খান ভাবতেন কীভাবে নিজেকে সাহায্য করতে পারেন? চিকিৎসাবিজ্ঞানে ভর্তি হওয়ার পর প্রথম থেকেই তার মনটা অনুসন্ধিৎসু ছিল। তার মুখস্থবিদ্যা কম, যেকোনো বিষয় বিশ্লেষণ করা বেশি পছন্দ।

সহপাঠীদের দেখলে ভয় লাগত: ডা: আজাদ শীতকালে বন্ধুদের সাথে ফুটবল খেলতেন জাম্বুরা দিয়ে। কাঁচা জাম্বুরা গরম পানির মধ্যে ভিজিয়ে রাখলে সহজে ফাটত না। সেটা দিয়ে ফুটবল খেলতেন। এ ছাড়া ডাঙ্গুলি খেলতেন। তার বাবা ছিলেন পোস্টমাস্টার। জীবন খুব সাদামাটা ছিল।

সব পেশাতেই নীতি থাকা জরুরি: সব পেশাতেই নীতি থাকাটা খুব জরুরি। চিকিৎসাপেশা বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে। এটি ব্যবসা নয়। তিনি বই পড়েন, গান শুনতে ভালোবাসেন। কী করে মানুষকে ইউনিভার্সেল হেলথ কেয়ার দেওয়া যায়, সেটি নিয়ে কাজ করেন। মানুষের জীবনটা বোঝা হয়ে যাবে, যদি সেটা অন্যের কোনো কাজে না আসে। সোশ্যাল ক্যাপিটাল তৈরি করতে হবে- এমনটাই ধারণা অধ্যাপক ডা: এ কে আজাদ খানের।

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।