আজকের বার্তা | logo

২রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৬ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং

শৈত্যপ্রবাহে দক্ষিণাঞ্চলে মাছে মড়ক

প্রকাশিত : জানুয়ারি ২৪, ২০১৮, ১৯:০৯

শৈত্যপ্রবাহে দক্ষিণাঞ্চলে মাছে মড়ক

পিরোজপুর অফিস: শৈত্য প্রবাহের প্রকোপে পিরোজপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলে মত্স্য খাতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। পাঙ্গাসসহ বিভিন্ন কার্প জাতীয় মাছ কোল্ড ইনজুরির কবলে পড়ে পুকুরেই মরে ভেসে উঠছে। অন্যদিকে সুন্দরবনের দুবলার চরসহ উপকূলের মত্স্য আহরণ কমে যাওয়ায় জেলেরা লোকালয় ফিরে আসছে। স্বরূপকাঠি উপজেলার চিলতলা গ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে গত ১০/১২ দিনে শতাধিক পুকুরে লাখ লাখ টাকার মাছ মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

চিলতলার মত্স্যচাষি ফিরোজ আহমেদ জানান, গত ১৪ জানুয়ারি তার পুকুরের অন্তত আড়াই লাখ টাকার মাছ মরে ভেঁসে উঠায় তিনি দারুণভাবে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। মৃত মাছ ও পুকুরে থাকা বাকি অর্ধমৃত মাছ ধরে তিনি মাত্র ৪৬ হাজার টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। কুয়াশা ও ঠান্ডায় পুকুরের পানির অক্সিজেন কমে যাওয়ায় মাছের এ মড়ক দেখা দিয়েছে বলে ফিরোজ জানান।

ফিরোজের প্রতিবেশী চান মিয়া জানান, গত দুই দিন প্রায় ৮০ হাজার টাকার পাঙ্গাস মাছ তার পুকুরে মারা গেছে। সোহাগদল, সুটিয়াকাঠি, দৈহারী, সারেঙ্গকাঠি প্রভৃতি গ্রামের অনেক পুকুরে একই ধরনের ঠান্ডাজনিত পরিস্থিতির কারণে মাছ মারা যাচ্ছে। পাশাপাশি পোল্ট্রি ফার্মের সঙ্গে মিশ্র পদ্ধতিতে যেসব পুকুরে মাছ চাষ করা হয় সেসব পুকুরে এই মড়কের হার বেশি বলে জানান স্বরূপকাঠি উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা এন এম পারভেজ। তিনি জানান, পোল্ট্রি থেকে সরাসরি মুরগির মল তাজা অবস্থায় পুকুরের পানির সঙ্গে মিশে এক ধরনের গ্যাস সৃষ্টি হয়ে তা মাছের খাদ্য প্রক্রিয়ায় বৈরিতা দেখা দেয়ায় মাছ মারা যাচ্ছে। তবে তিনি শীত ও কুয়াশায় মাছের মৃত্যুর খবর স্বীকার করেছেন। অন্যদিকে সুন্দরবনে দুবলার চর এবং উপকূলের সাগরে যেসব জেলে মত্স্য আহরণে ব্যস্ত তারা অধিকাংশ শীতের সঙ্গে লড়াই করে টিকতে পারছেন না। জেলেরা জাল-নৌকা নিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যাচ্ছে। দুবলা থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, সেখানে শুটকি মাছ আহরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ মারাত্মকভাবে বিঘ্ন হচ্ছে শীত ও কুয়াশায়।

দুবলার মত্স্য ব্যবসায়ী ফরিদ হোসেন জানান, ১৫ দিন ধরে শীত এতটা জেঁকে বসেছে যে, জেলেরা সেখানে খোলা আকাশের নিচে অস্থায়ী ঘরে বসবাস করতে পারছে না। পাশাপাশি সাগরেও জাল ফেলা সম্ভব না হওয়ায় মাছের অভাবে শুঁটকি ব্যবসা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। ফলে চলতি মৌসুমে দুবলার মত্স্য খাত থেকে রাজস্ব আদায় কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানান দুবলা টহল ফাঁড়ির বন বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মো. মোকাম্মেল হোসেন।

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।