আজকের বার্তা | logo

৩রা মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ১৬ই জানুয়ারি, ২০১৮ ইং

মানুষ ভূতের স্বপ্ন দেখে কেন?

প্রকাশিত : জানুয়ারি ১১, ২০১৮, ১৭:৪৮

মানুষ ভূতের স্বপ্ন দেখে কেন?

ব্যক্তি বিশেষে এক একজনের ভাবনা, চিন্তা ও ব্যক্তিত্ব আলাদা হয়। আর এসবই আমাদের প্রচলিত ধারণায় মারাত্মক প্রভাব ফেলে। আর এর ফলে দুঃস্বপ্নের শিকার হন বহু মানুষ। কেউ কেউ তাকে স্বপ্ন ভেবে ভুলে গেলেও কিছু মানুষ তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে নিজেকে অসুস্থ করে তোলেন।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঘুমের মধ্যে দেখা খারাপ স্বপ্ন বা দুঃস্বপ্ন আর কিছুই নয়, মানুষের মনের মধ্যে গেড়ে বসা ভয়ের বহিঃপ্রকাশ। ঘুমের মধ্যে আমরা বেশ কয়েকটি স্তরের মধ্য দিয়ে যাই। একটা সময় আসে যখন চোখের মণিগুলি খুব তাড়াতাড়ি ঘুরতে থাকে। এই সময়েই আমরা নানারকম দুঃস্বপ্ন দেখে থাকি।
দেখে নিন, দুঃস্বপ্ন নিয়ে কয়েকটি অজানা তথ্য-

* দুঃস্বপ্নের আক্ষরিক অর্থ-
‘দুঃস্বপ্ন’ বা ‘নাইটমেয়ার’ শব্দটি এসেছে জার্মান শব্দ ‘মেয়ার’ থেকে। এর অর্থ ঘুমানোর সময়ে অপদেবতা এসে বসে বুকের উপরে।

* ঘটনার আকস্মিক পরিবর্তন-
যদি আপনি নিয়মিত দুঃস্বপ্ন দেখতে শুরু করেন তাহলে ঘাবড়াবেন না। ইচ্ছাশক্তির জোরে দুঃস্বপ্নকে নিজেই বন্ধ করতে পারার ক্ষমতা আপনার রয়েছে। একে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে ‘লুসিড ড্রিমিং’, যেখানে একজন ব্যক্তি স্বপ্নের প্লট পাল্টে দিতে পারেন।

* ভুল সময়ে খাবার খাওয়া-
অনেক মানুষই রাতে শুয়ে দুঃস্বপ্ন দেখেন। তার অন্যতম কারণ বেশি রাত করে খাবার খাওয়া। দেরি করে খাবার খেলে আমাদের মেটাবলিজম অন্যরকম হয় যা মস্তিষ্ককে বেশিমাত্রায় সচল করে তোলে। আর ফল হিসাবে নানারকম স্বপ্ন দেখে থাকি আমরা। তাই ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ঘণ্টা ২ আগে রাতের খাবার খাওয়া উচিত।

* অনিদ্রার শিকার-
গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, অনিদ্রা বা ইনসমনিয়ার শিকার হওয়া ব্যক্তিরাই বেশি করে দুঃস্বপ্ন দেখেন। এতে আক্রান্ত ৫-৬ শতাংশ মানুষ দুঃস্বপ্নের ভয়ে ঘুমাতে যেতেই ভয় পান। যার ফলে তাদের আরও নানারকম শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়।

* রোমান সভ্যতা কি বলে-
মানবসভ্যতার একেবারে প্রথম দিক থেকেই দুঃস্বপ্নের ঘটনা চলে আসছে। রোমান সভ্যতার সময়ে কেউ যদি দুঃস্বপ্ন দেখে তাহলে সেখানকার সেনেটে তা নিয়ে রীতিমতো আলোচনা হত।

* ইতিমধ্যে দেখা-
বহু মানুষ আছে যারা একবার দেখা কোন ঘটনা, দুঃস্বপ্নের আকারে আবার দেখেন। ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি করে দেখা যায়। এমন ঘটনা খুব তাড়াতাড়ি ক্লান্ত ও মনকে দুর্বল করে দেয়।

* তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ুন-
গবেষণায় দেখা গেছে, যারা রাতের বেলায় তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যান অথবা, সুস্থ জীবনযাপনে অভ্যস্ত, তারা দুঃস্বপ্নের শিকার হন না।

* ঘুমের ঘাটতি-
নিয়মিত হারে ঘুমের ঘাটতি হলে দুঃস্বপ্ন তাড়া করে বেড়ায়। ফলে দুঃস্বপ্ন দেখার প্রবণতা বেড়ে যায়। তাই ঘুমানোর আগে মাথাকে যতটা চিন্তামুক্ত রাখা যায় ততই আপনার জন্য মঙ্গল।

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।