আজকের বার্তা | logo

১১ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং

জেনে নিন কীভাবে এক সন্তানের জন্ম দিলেন তিনজন মিলে!

প্রকাশিত : জানুয়ারি ০৩, ২০১৮, ১৭:৩৩

জেনে নিন কীভাবে এক সন্তানের জন্ম দিলেন তিনজন মিলে!

অনলাইন ডেস্ক: দুই মা ও এক বাবা মিলে এক সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তিনজন মিলে এক সন্তান জন্ম দেওয়ার এমন ঘটনা অদ্ভূত মনে হতে পারে। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যে এটাই সত্যি হতে চলেছে। এই অসম্ভবকে সম্ভব করে চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক যুগান্তকারী আবিস্কার করা হচ্ছে।

জানা গেছে, এই পদ্ধতিতে একটি ভ্রূণের মধ্যে মিলে যাবে তিন বাবা-মায়ের জিনগত গুন। ভ্রূণ গঠনের একেবারে প্রথম ধাপেই এটা করা হবে। এতদিন পর্যন্ত যে পদ্ধতি নেওয়া হতো তাতে শিশুর বংশগত রোগ থাকার সম্ভাবনা থাকত। কিন্তু পরবর্তী প্রজন্মকে সুস্থ রাখতে এই পদ্ধতি খুবই কার্যকরী।

সম্প্রতি ভারতের পার্লামেন্ট সায় দেওয়ায় নতুন পদ্ধতিতে মাইটোকন্ড্রিয়া জনিত সমস্যা থাকলেও তৃতীয় নারীর শরীর থেকে মাইটোকন্ড্রিয়া নিজেদের গর্ভে স্থাপন করতে পারবেন। ফলে সন্তান সুস্থ থাকবে।

মাইটোকন্ড্রিয়াল ডোনেশনে যা হয় : এতে মূলত তিনটি পদ্ধতি রয়েছে। কিন্তু, ব্রিটেনে একটাই পদ্ধতি চালু হচ্ছে। এই পদ্ধতির নাম PNT। এই পদ্ধতিতে কোনো দম্পতির নিষিক্ত ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসের মধ্যে অপর এম নারীর নিষিক্ত ডিম্বাণুর ক্রোমোজোমে থাকা জিন প্রতিস্থাপন করা হয়। ফলে ডিম্বাণুর মধ্যে বাবা-মায়ের ক্রোমোজোম থাকে, এছাড়া বাবা-মায়ের ৯৯.৯ শতাংশ জিন থাকে এবং আর এক নারী যার মাইটোকন্ড্রিয়া সুস্থ রয়েছে তার ০.০১ শতাংশ ডিএনএ থাকে।

চিকিৎসকদের এই পদ্ধতিতে ভরসা রাখার কারণ : মাইটোকন্ড্রিয়া জনিত রোগের কোনো যথাযথ চিকিৎসা হয় না। সাড়ে ৬ হাজার শিশুর মধ্যে একজন এই সমস্যার মারাত্মক শিকার হয়। অসুস্থ নারী যদি একজন সুস্থ শিশুর জন্ম দিতে চান তাহলে তাকে খুব কষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। সেক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় ওই নারীর শরীরে অন্য কারও নিষিক্ত ডিম্বাণু প্রতিস্থাপন করা হয়। কিন্তু, নতুন এই পদ্ধতি চালু হলে মায়েরা তাদের নিজেদের ডিম্বাণু থেকে সুস্থ সন্তানের জন্ম দিতে পারবেন। ফলে মায়ের সঙ্গে শিশুর জিনের মিলও থাকবে অথচ মাইটোকন্ড্রিয়া জনিত রোগও থাকবে না। এতে ওই পরিবারের পরবর্তী সব প্রজন্মের জন্য মাইটোকন্ড্রিয়ার সমস্যা নির্মূল হয়ে যাবে।

বিরোধিতার কারণ : কেউ কেউ বিরোধিতা করছেন ধর্মীয় কারণে। আর কেউ কেউ বৈজ্ঞানিক কারণে। কেননা এই পদ্ধতিটির সঙ্গে সবাই পরিচিত নয়। তাই এর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অনেকের মনে। অনেকের ধারণা অসুস্থ মাইটোকন্ড্রিয়া ওই তৃতীয় নারীর শরীরে প্রতিস্থাপিত হয়ে যাবে। এর ফলে কোনো অসুস্থতা আসতে পারে কিনা তা স্পষ্ট নয়। তাই গবেষণা আরও কিছুটা না এগুলে ভরসা পাচ্ছেন না অনেকেই।

বিতর্কের শীর্ষে যারা : অ্যাংলিকান চার্চ ও রোমান ক্যাথলিক চার্চ এই পদ্ধতির প্রকাশ্যে বিরোধিতা করছেন। বহু বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানীও এর বিপক্ষে। অনেকেই চাইছেন এই পদ্ধতি চালু হোক। আবার অনেকেই ভরসা পাচ্ছেন না।

সূত্র : কলকাতা২৪x৭

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।