আজকের বার্তা | logo

১১ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং

অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করেন খালেদা: দুদক আইনজীবী

প্রকাশিত : জানুয়ারি ৩০, ২০১৮, ১৫:০৮

অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করেন খালেদা: দুদক আইনজীবী

অনলাইন ডেক্সঃ প্রধানমন্ত্রীর পদ একটি প্রতিষ্ঠান। তাঁর কাজ নির্ধারিত থাকে। প্রধানমন্ত্রীর পদ গোপন করে প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়া নামসর্বস্ব জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট গঠন করেন। কিন্তু অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করে ট্রাস্টের কল্যাণে সর্ষে পরিমাণ কাজও করেননি।’

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় আদালতকে এসব কথা বলেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানী ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত-৫-এ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। এর আগে বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে আদালতে হাজির হন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করতে গিয়ে মোশাররফ হোসেন কাজল আরও বলেন, শপথ চলা অবস্থায় খালেদা জিয়া এই ট্রাস্ট গঠন করেছেন। তিনি ট্রাস্টের একজন ট্রাস্টিও। ট্রাস্ট আইন অনুযায়ী ট্রাস্ট গঠন করার জন্য তিনি কোনো টাকা দিয়েছিলেন বলে জানা যায়নি। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত যত দিন তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তত দিন এই ট্রাস্টের জন্য অর্থ সংগ্রহ হয়েছে। এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রী না থাকার সময়ে এই ট্রাস্টে আর কোনো অর্থ লেনদেন হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি এ অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সোনালী ব্যাংক শাখায় একটি হিসাব খোলা হয়। অথচ সেই হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর পদ গোপন করেছেন খালেদা জিয়া। এ ছাড়া ২০০৪ সালের ২৬ অক্টোবর গুলশান সাব রেজিস্ট্রি অফিসে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নিবন্ধন হয়েছিল। সেখানেও খালেদা জিয়া তাঁর প্রধানমন্ত্রীর পদ উল্লেখ করেননি। পদ গোপন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর পদ একটি প্রতিষ্ঠান। তাঁর কাজ নির্ধারিত থাকে। প্রধানমন্ত্রী থাকার সময়, শপথ চলার সময়, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয় বলে কিছু থাকে না। তিনি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ১৬ কোটি মানুষের হয়ে যান।

দুপুর দেড়টা পর্যন্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছেন দুদকের এই আইনজীবী। পরে আধঘণ্টার জন্য মধ্যাহ্ন বিরতি দেন আদালত।

এ মামলায় খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর এপিএস জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার এপিএস মনিরুল ইসলাম খান।

এর আগে ২৫ জানুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়। ওই মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। দুটি মামলাই করেছে দুদক।

৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আসামি হলেন খালেদা জিয়াসহ চারজন। আর ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আসামি হলেন খালেদা জিয়া, তাঁর বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ছয়জন। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এর মধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

সূত্রঃ প্রথম আলো

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।