আজকের বার্তা | logo

৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৪ই আগস্ট, ২০১৮ ইং

রংপুরের নির্বাচন ও ভোটের রাজনীতি!

প্রকাশিত : ডিসেম্বর ২৫, ২০১৭, ১১:০৮

রংপুরের নির্বাচন ও ভোটের রাজনীতি!

আলম রায়হান: রংপুর সিটি নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে সাধারণভাবে আগেই একটি ধারণা করা হয়েছিলো। সে ধারণার সমান্তরালই ফলাফল ঘোষিত হয়েছে। নিকটতন প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি ভোট পেয়ে রংপুর সিটির মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৪৮৯ ভোট; ভোটের ব্যবধান ৯৮ হাজার। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ প্রার্থী সদ্য বিদায়ী মেয়র সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু পেয়েছেন ৬২ হাজার ৪০০ ভোট। আর বিএনপির প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা পেয়েছেন অওয়ামী লীগের প্রায় অর্ধেক, ৩৫ হাজার ১৩৬ ভোট। ২১ ডিসেম্ম¦র অনুষ্ঠিত নির্বাচন ছিলো রংপুর সিটির দ্বিতীয় নির্বাচন।

রংপুর মেয়র নির্বাচনের ফলাফল এবং পরবর্তী অবস্থা বিবেচনায় অনেকেই মনে করেন, আওয়ামী লীগের হয়েছে মধুর পরাজয় ও সরকারের হয়েছে কৌশলী বিজয় এবং মুখ রক্ষা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের। আর বোঝার উপর শাকের আটির মতো ভোটে ও কৌশলে পরাজয় হয়েছে বিএনপির। যা রাজনীতি ও নির্বাচনে বিএনপির জন্য সুদূর প্রসারী বৈরী পরিস্থিতির ক্ষেত্রকে আরো সম্প্রসারিত করতে পারে।

রংপুর সিটি নির্বাচনে এবার বিএনপির অবস্থান তিন জনের মধ্যে তৃতীয় হলেও ভোট পাওয়ার হারে সাবেক শাসক দল বিএনপি রয়েছে জাতীয় পার্টির পরই। মেয়র নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ২০১২ সালে পেয়েছিল ২১ হাজার ২৩৫; এবার পেয়েছে ৩৫ হাজার ১৩৬ ভোট। এ হিসাবে এবার বিএনপির প্রার্থী ১৩ হাজার ১৩৬ ভোট বেশি পেয়েছেন; শতকরা হিসাবে ভোট বেড়েছে ৬৫ ভাগ। আর আওয়ামী লীগ গতবার পেয়েছিল ১লাখ ৬ হাজার ২৫৫ ভোট। এবার প্রাপ্ত ভোট ৬২ হাজার ৪০০; কমেছে ৪৩ হাজার ৮৫৫ ভোট; কমেছে শতকরা হিসাবে ৪১ ভাগ। আর জাতীয় পার্টির প্রার্থীর বেড়েছে ১০৬ ভাগ। গতবার মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা পেয়েছিলেন ৭৭ হাজার ৮০৫; এবার পেয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ৪০০ ভোট। যদিও গতবার জাতীয় পার্টি ঘোষিত প্রার্থী ছিলেন আব্দুর রউফ মানিক; তিনি পেয়েছিলেন ৩৭ হাজার ২০৮ ভোট।

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত প্রথম নির্বাচনে সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন এবার বিজয়ী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। এবার সেই মোস্তফার কাছে পরাজিত হলেন ঝন্টু। কেতাবী হিসেবে এটি হচ্ছে, ক্ষমাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে নিদারুনভাবে পরাজিত করে জাতীয় পার্টির বিজয়। কিন্তু বাস্তবের চিত্র ভিন্ন। আর তা হলো, জাতীয় পার্টির নেতাকে পরাজিত করে জাতীয় পার্টির কর্মীর বিজয় হয়েছে; মানে জয়-পরাজয় জাতীয় পার্টির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। গত নির্বাচনে আওয়ামী প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী এবং এবার পরাজিত সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু জাতীয় পার্টিরই লোক; ১৯৯৩ সালে তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবেই রংপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে তিনি সুবিধাবদের পালে হাওয়া লাগিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন; এর পরও পৌর চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। ফলে এবারের মেয়র নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর বিজয়ে আকাশ ভেঙে পড়ার মতো কোন ঘটনা ঘটেনি। উল্লেখ্য, সব সময়ই রংপুর জাতীয় পার্টির দুর্গ হিসবে প্রতিষ্ঠিত। ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর প্রমাণ স্পষ্ট হয়েছে। এরশাদের ইমেজের কারণে রংপুরে প্রার্থীর চেয়ে লাঙ্গল প্রতীকই প্রধান বলে বিবেচিত হয়; তা কলাগাছ হলেও। শুধু তাই নয়, নব্বই দশকের পর থেকে রংপুর পৌরসভায় যারাই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তারা সকলেই ছিলেন জাতীয় পার্টিরই নেতা। আর নির্বাচনী বৈতরণী পার হবার ক্ষেত্রে প্রধান নিয়াসক হচ্ছে এরশাদের সমর্থন। আর অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে এবার রংপুর সিটি নির্বাচন নিয়ে এইচ এম এরশাদ বেশি মাথা ঘামিয়েছেন। বলা হয়, আগে নির্বাচনের সময় এরশাদ কেবল নিজের আর্থিক প্রাপ্তি নিয়ে ভাবতেন, এবার তিনি দলের প্রার্থীর বিজয় নিয়ে ভেবেছেন এবং প্রচারণায় অনেকটা গলদঘর্ম হয়েছেন।

রংপুরে এবার মেয়র জাতীয় পার্টির পক্ষে একতরফা নির্বাচন হতে যাচ্ছে- তা অনেকে আগেই আঁচ করেছিলেন। এর পরও প্রাপ্ত ফলে সার্বিক বিবেচনায় রংপুরে সিটি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির বিজয় নিয়ে কোন রকম সংশয় নিরপেক্ষ কোন মহলেই ওঠেনি। এ ফল স্থানীয়ভাবে এবং জাতীয়ভাবে গ্রহণযোগ হয়েছে বলে সাধারণভাবে মনে করা হচ্ছে; এনিয়ে কোন প্রশ্ন নেই। কিন্তু প্রশ্ন দেখা দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আগাম এবং বিএনপির ‘ভাঙ্গা রেকর্ড প্রতিক্রিয়া’ নিয়ে। দুটি বিষয়ই অনেকের অনেক প্রশ্ন ও বিরক্তির উদ্রেক করেছে।

নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর ফলাফল প্রকাশ সমাপ্ত হবার আগেই ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক পরাজয় মেনে নেবার ঘোষণা দিলেন ভোট গ্রহণ শেষ হবার কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে। পূর্ণাঙ্গ ফল ঘোষণার আগেই ওবায়দুল কাদের রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পরাজয় মেনে নিয়ে বিজয়ী দলকে আগাম শুভেচ্ছা জানান। এমন নয় যে, সাংবাদিকদরা ঘিরে ধরায় তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বরং ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকে ঘটা করেই এ মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, “আমরা এ নির্বাচনের ফলাফল গণতন্ত্রের বিজয় হিসেবে দেখছি।” তিনি আরো বলেন, “সব নির্বাচনে কি জয়ী হতে হবে?” তিনি এমনভাবে কথা বলেছেন, যেনো গণতন্ত্রের উদারতার ভিত্তিপ্রস্তর স্থান করার সংকল্প করেছেন তিনি!
তবে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের যথার্থই বলেছেন, সব নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগকে জিততে হবে এমন কোন কথা নেই। কিন্তু এ প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, নিজ দলের পরাজয় মেনেনিয়ে বিজয়ীকে অভিন্দন জানানো এবং অতি উদার প্রতিক্রিয়া প্রকাশের সময় যথার্থ হয়েছে কিনা? হয় তো তা ভেবে দেখার সময় পাবেন না মাননীয় মন্ত্রী। কিন্তু যাদের সময় আছে তারা মন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে নানান রকম ভাবছেন; নানান রকমের সন্দেহও করছেন কেউ কেউ। সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, জাতীয় পার্টির বদলে বিএনপি বিজয়ী হলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কি এমন উচ্ছাসপূর্ণ অভিনন্দন জানাতেন? এমন অনেক প্রশ্ন উটেচে। তবে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ক্ষমতাসীনদের বিষয়ে উঠেছে মামুলি প্রশ্ন।

বিরক্তিকর প্রশ্নের মুখোমুখো হতে হয়েছে বিএনপিকে। নির্বাচনের ফল নিয়ে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করার ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই এবারও অনেকটা জট পাকিয়ে ফেলেছে বিএনপি। বিএনপির রংপুর মহানগর সহ-সভাপতি কাওসার জামান বাবলা নির্বাচন শেষ হওয়ার সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আকস্মিকভাবে নির্বাচনের ফলাফল বর্জনের ঘোষণা দেন। এর আগে সকালে তিনি মাহিগঞ্জের দেওয়ানটুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়ে বলেছিলেন, ভোটের পরিবেশ সন্তোষজনক। প্রার্থী হিসেবে তার এ বক্তব্য বেশ গুরুত্ব পেয়েছে, প্রাচারিতও হয়েছে। এদিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে বাবলা মাঠে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন। তার পক্ষে দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুর ইসলাম আলমগীরসহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা রংপুরে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। এর পর নির্ধারিত ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ভোটগ্রহণ। কিন্তু ফলাফল প্রকাশের শেষ পর্যায়ে দলীয় হাই-কমান্ডের ফোন পেয়ে কাওসার জামান বাবলা তড়িঘড়ি সংবাদ সম্মেলন করে দলের পক্ষ থেকে ফলাফল বর্জনের ঘোষণা দিলেন। অবশ্য ভোটের দিন বিকেলেই এ রকম একটি ঘোষণা ক্ষেত্র প্রস্ত করে রেখেছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। নয়াপল্টনে দলের কন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আজ্ঞাবহ ইলেকশন কমিশনের ব্যর্থতার কারণে রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে পারেনি। নির্বাচন শুরু পর থেকে শেষ পর্যন্ত আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম ও কেন্দ্র দখলে সেটিরই বাস্তবতা ফুটে উঠেছে।

প্রত্যাখ্যান করার ক্ষেত্র আগে থেকে প্রস্তুত করে রাখা হলেও ফলাফল বর্জনের ঘোষণার বিষয়টি দলের অধিকাংশ নেতাকর্মী জানতেন না। এদিকে ভোটের খতিয়ান পর্যালোচনায় জানাযায়, ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী পেয়েছিলেন ৫ হাজার ৫’শ ভোট। গত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা ২১ হাজার ২৩৫ ভোটে ৪র্থ হয়েছিলেন। তখন তিনি নির্বাচন বর্জন কিংবা ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেননি। ২৬ বছরের ইতিহাসে বিএনপি’র প্রার্র্থীদের মধ্যে এবার সর্বোচ্চ ভোট পাওয়ার পরও ফলাফল বর্জনের ঘোষণা সাধারণ মানুষ গ্রহণ করেনি; এ পশ্নে বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের মধ্যে দিধা-দ্বন্দ্ব আছে বলে বলা হচ্ছে। এই বিষয়টি আরো বাড়িয়ে দিয়েছে ফল বর্জনের সময় নির্ধারণ নিয়ে।
স্মরণ করা যেতে পারে, নিজের নাক কেটে যাত্রা ভঙ্গ করার মতো শামীম ওসমানের পরাজয় নিশ্চিত করার জন্য নারায়ণগঞ্জে মেয়র নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়ানো হয়েছিলো প্রার্থী এ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারকে দিয়ে ভোটগ্রহন চলাকালে। নির্বাচন বর্জনের ঘোষণার সময় তার প্রতিক্রিয়ায় সকলের কাছেই স্পষ্ট হয়েছিল, তিনি ইচ্ছার বিরুদ্ধে কথা বলছেন।

এ সময় তিনি কাদোকাদো অবস্থায় ছিলেন। তার ধারণা ছিল, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকলে তিনি বিজয়ী হতেন। পরে অবশ্য তার ধারণাই সাধারণ মানুষ ও পর্যবেক্ষরা যথার্থ বলে মনে করেছেন। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে হয়তো রংপুরে বর্জনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে ভোট গ্রহণের পর, ফল প্রত্যাখ্যানের নামে। মানতেই হবে, বিএনপি এবার অধিকতর কৌশলের পরিচয় দিয়েছে। কিন্তু অদক্ষতা দেখিয়েছে মূল বিষয়ে। যেখানে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলার মতো কোন ঘটনাই ঘটেনি সেখানে ফল প্রত্যাখ্যান করলো বিএনপি। এর ফলে অখেরে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিএনপি; দলটি অবশ্য মধ্যে ক্ষতির আবর্তে ঘুরপাক খাওয়ার দশায় আছে। এ অবস্থায় নির্বাচন নিয়ে জনধারণার বিপরীতে দাঁড়িয়ে বিএনপির বক্তব্য কোন মহলেই ভিত্তি পাবার কথা নয়। সবচেয়ে বিপদ হলো, ভবিষ্যতে যখন বিএনপি কারচুপি-অনিয়মের অভিযোগ তুলবে, যদি তেমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। তখন সেটা গল্পের ‘দুষ্টু ছেলের ‘বাঘ এলো বাঘ এলো’ ডাকের মতো হয়ে যাবার আশংকা আরো অনেক বাড়িয়ে দিলো।
লেখক: সাংবাদিক

Share Button


আজকের বার্তা

আগরপুর রোড, বরিশাল সদর-৮২০০

বার্তা বিভাগ : ০৪৩১-৬৩৯৫৪(১০৫)
ফোনঃ ০১৯১৬৫৮২৩৩৯ , ০১৬১১৫৩২৩৮১
ই-মেলঃ ajkerbarta@gmail.com

সামাজিক যোগাযোগ
Site Map
Show site map

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রকাশকঃ কাজী মেহেরুন্নেসা বেগম
সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতাঃ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল
Website Design and Developed by
logo

আজকের বার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বেআইনি।